ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬,  ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: বিপুল ভোটে জয়ী বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন ১৪ বছর পর পর্দায় ফিরেই তোলপাড়, দেব-শুভশ্রীর রসায়নে নতুন গুঞ্জন টলিপাড়ায় চট্টগ্রাম বন্দরে পাকিস্তান থেকে আসা ৪৯৪ কোটি টাকার তামাক আটক পাকিস্তানে অ্যাম্বুলেন্সে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ নিহত ৯ সখীপুরে মাটির নিচে মিলল দুটি বাক্স, উদ্ধার রকেট লঞ্চারসদৃশ ১২ বস্তু মদ ও সিগারেটের প্রলোভনে কিশোরকে বারবার যৌন নির্যাতন আমরা অবশ্যই এই ভোট নিয়ে সন্তুষ্ট: ইসি সচিব আখতার আহমেদ আন্দোলনে সহিংসতায় জড়ালে মিলবে না সরকারি চাকরি: ভারতের নতুন নীতি হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘স্পাই ড্রোন’ আটক করল ইরান এআই দেখে বিষাক্ত মদ তৈরি: ভারতে ১৩ জনের মৃত্যু

আবাসন খাতের উন্নয়নে ১০০ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে এডিবি


  • আপলোড সময় : রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সময় : ১১:৫৯ এএম

দেশের নিম্ন ও মধ্যম আয়ের জনগোষ্ঠীর জন্য নিরাপদ জীবনযাত্রা নিশ্চিত করতে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় বড় ধরনের আর্থিক সহায়তা নিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। সংস্থাটির পক্ষ থেকে সাশ্রয়ী ও দুর্যোগসহনশীল আবাসন অর্থায়ন সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি সহজ শর্তের ঋণ অনুমোদন করা হয়েছে। বিশেষ করে নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আবাসন খাতে প্রবেশাধিকার বাড়াতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

‘ইনক্লুসিভ অ্যাফোর্ডেবল হাউজিং ফাইন্যান্স প্রজেক্ট’ বা অন্তর্ভুক্তিমূলক সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়ন প্রকল্পের আওতায় পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এবং যোগ্য ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোর (এমএফআই) মাধ্যমে এই তহবিল বিতরণ করা হবে। এই প্রকল্পের আওতায় দীর্ঘমেয়াদি ও জামানতবিহীন ক্ষুদ্রঋণ দেওয়া হবে, যার মাধ্যমে সাধারণ পরিবারগুলো নিজেদের বসতভিটা নির্মাণ, মেরামত ও সার্বিক উন্নয়ন করতে সক্ষম হবে।

 

এডিবির পক্ষ থেকে প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশে নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসনের বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে। বিশেষ করে অনানুষ্ঠানিক আয়ের ওপর নির্ভরশীল পরিবারগুলো প্রচলিত বন্ধকভিত্তিক ঋণদাতাদের কাছ থেকে আবাসন ঋণ পাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত থাকে। নতুন এই প্রকল্পের মাধ্যমে সেই দীর্ঘদিনের সীমাবদ্ধতা সফলভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।

 

এ বিষয়ে এডিবির বাংলাদেশে কান্ট্রি ডিরেক্টর কিংফেং ঝাং বলেন, “আবাসন মানুষের মর্যাদা, সুযোগ এবং দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।” তিনি আরও যোগ করেন, নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবারগুলোকে, বিশেষ করে নারীদের, আরও নিরাপদ ও দুর্যোগসহনশীল বাড়িতে বিনিয়োগে সহায়তা করার মাধ্যমে প্রকল্পটি দেশের দারিদ্র্য হ্রাস, সামাজিক সুরক্ষা জোরদার, মানব উন্নয়ন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির বৃহত্তর লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

 

প্রকল্পের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, ২০৩১ সালের মধ্যে অন্তত ৪০ হাজার পরিবারকে এই ঋণের আওতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে অন্তত ৩২ হাজার নারী ঋণগ্রহীতা থাকবেন। পাশাপাশি, প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী অন্তত ২৪ হাজার ঋণগ্রহীতাকে এই অর্থায়নের আওতায় আনার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আবাসন অর্থায়নের পাশাপাশি মানুষের আর্থিক ও ভূমি-সংক্রান্ত সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি নারীদের আবাসন নিরাপত্তা জোরদারের জন্য কঠোর নথিপত্র সংরক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

 

দুর্যোগসহনশীল আবাসন গড়ার অংশ হিসেবে বাড়িগুলোকে বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, অতিরিক্ত তাপমাত্রা এবং অন্যান্য চরম আবহাওয়ার প্রভাব মোকাবিলায় উপযোগী করে তুলতে নকশা, নির্মাণ ও সুরক্ষার বিষয়গুলো সমন্বিত করা হবে। মোট অনুমোদিত ১০০ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে ৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার জলবায়ু অভিযোজন অর্থায়ন হিসেবে এবং কারিগরি সহায়তা হিসেবে অতিরিক্ত ৬ লাখ মার্কিন ডলার অনুদান হিসেবে প্রদান করা হবে।

 


এ সম্পর্কিত আরো খবর