ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬,  ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১৪ বছর পর পর্দায় ফিরেই তোলপাড়, দেব-শুভশ্রীর রসায়নে নতুন গুঞ্জন টলিপাড়ায় চট্টগ্রাম বন্দরে পাকিস্তান থেকে আসা ৪৯৪ কোটি টাকার তামাক আটক পাকিস্তানে অ্যাম্বুলেন্সে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ নিহত ৯ সখীপুরে মাটির নিচে মিলল দুটি বাক্স, উদ্ধার রকেট লঞ্চারসদৃশ ১২ বস্তু মদ ও সিগারেটের প্রলোভনে কিশোরকে বারবার যৌন নির্যাতন আমরা অবশ্যই এই ভোট নিয়ে সন্তুষ্ট: ইসি সচিব আখতার আহমেদ আন্দোলনে সহিংসতায় জড়ালে মিলবে না সরকারি চাকরি: ভারতের নতুন নীতি হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘স্পাই ড্রোন’ আটক করল ইরান এআই দেখে বিষাক্ত মদ তৈরি: ভারতে ১৩ জনের মৃত্যু বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের চিঠির জবাব দিলেন মোজতবা খামেনি

সংসদ ও স্থানীয় নির্বাচনে ডোপ টেস্ট কেন নয়: হাইকোর্টের প্রশ্ন


  • আপলোড সময় : সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সময় : ৬:৩৪ পিএম

জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সকল প্রার্থীর জন্য ডোপ টেস্ট বা মাদক পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা কেন আইনগতভাবে আবশ্যক ঘোষণা করা হবে না—তা জানতে চেয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। দেশের চলমান নির্বাচনী ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও সুস্থ মানসিকতার জনপ্রতিনিধি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দায়ের করা একটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত এই আদেশ দেন।


সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি এসকে তাহসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত একটি বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। জনস্বার্থে রিট আবেদনটি দায়ের করেছিলেন আইনজীবী ইসরাত জাহান অমি। রিট পিটিশনে বিবাদী হিসেবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের পক্ষভুক্ত করা হয়েছে।


আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি পরিচালনা করেন রিটকারী আইনজীবী নিজে। শুনানি শেষে তিনি গণমাধ্যমকে জানান, বর্তমানে দেশের প্রচলিত নির্বাচনী আইন ও বিধিমালাগুলোতে প্রার্থীদের মাদক পরীক্ষার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো বাধ্যতামূলক বিধান রাখা হয়নি। অথচ প্রজাতন্ত্রের সাধারণ সরকারি চাকরিজীবী কিংবা পুলিশ বাহিনীর মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ লাভের ক্ষেত্রে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলকভাবে সম্পন্ন করা হয়। দেশের সাধারণ মানুষের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য যারা নির্বাচিত হয়ে আসবেন—তাঁরা জাতীয় সংসদের সম্মানিত সদস্য হোন কিংবা স্থানীয় সরকারের যেকোনো স্তরের জনপ্রতিনিধি হোন—তাঁদের অবশ্যই সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত এবং সুস্থ মানসিকতার হওয়া অত্যন্ত জরুরি।


রিট আবেদনে জোরালোভাবে যুক্তি উপস্থাপন করে বলা হয়েছে, কোনো ধরনের মাদকাসক্ত ব্যক্তি যেন কোনোভাবেই রাষ্ট্রীয় বা স্থানীয় ক্ষমতার কেন্দ্রে পৌঁছাতে না পারেন এবং নির্বাচনে অংশ নিয়ে জনপ্রতিনিধি হতে না পারেন, তা নিশ্চিত করতে হবে। এই উদ্দেশ্যে অবিলম্বে নির্বাচনী বিধিমালা যথাযথভাবে সংশোধন করা প্রয়োজন। সরকারি হাসপাতাল কিংবা সরকার নির্ধারিত স্বীকৃত ও সার্টিফাইড ল্যাবরেটরি থেকে প্রার্থীদের ডোপ টেস্টের মাধ্যমে সনদ নেওয়ার বিষয়টি বাধ্যতামূলক করার আইনি নির্দেশনা চেয়ে এই রিটটি করা হয়েছে। আদালত রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিবাদীদের প্রতি কারণ দর্শানোর এই রুল জারি করেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এর সন্তোষজনক জবাব দিতে নির্দেশ দেন।



এ সম্পর্কিত আরো খবর