ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুয়েটের আসন্ন সমাবর্তনে যোগদানের আমন্ত্রণ গ্রহণ করলেন রাষ্ট্রপতি


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সময় : ৪:৪১ পিএম

জনকল্যাণমুখী আধুনিক ডিজিটাল প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই, ন্যানো ও জৈবপ্রযুক্তি এবং সেমিকন্ডাক্টর খাতের মতো যুগান্তকারী ক্ষেত্রগুলোতে গবেষণা ও নতুন উদ্ভাবনে আরও জোরালো ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

গত মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাজধানীর ঐতিহাসিক বঙ্গভবনে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাছুদের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেস উইংয়ের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।


সাক্ষাৎকালে দেশের প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎ দিক নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে উল্লেখ করেন যে, এআই যেন কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণহীন ও যথেচ্ছভাবে ব্যবহৃত না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে সর্বোচ্চ সচেতন থাকতে হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার মানুষের নিজস্ব চিন্তাশক্তি ও সৃজনশীল প্রতিভাকে সংকুচিত করে দিতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। তাই মানবকল্যাণ ও দেশের সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে পরিমিত মাত্রায় এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেন রাষ্ট্রপ্রধান।


এ সময় কুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাছুদ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক একাডেমিক কার্যক্রম, চলমান গবেষণা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে বিস্তারিতভাবে অবহিত করেন। উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন ও বিস্তার প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি অভিমত ব্যক্ত করে বলেন, উন্নত শিক্ষাব্যবস্থাকে কেবল রাজধানীভিত্তিক কুক্ষিগত করে না রেখে বরং তা সারাদেশে আরও বিকেন্দ্রীকরণ করা সময়ের দাবি। একই সঙ্গে জাতীয় পর্যায়ের গবেষণা ও উন্নয়ন বা রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কার্যক্রমে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আরও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত করার ওপর বিশেষ জোর দেন তিনি।


সাক্ষাৎকালের শেষ পর্যায়ে কুয়েটের আসন্ন সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য বা চ্যান্সেলর হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য রাষ্ট্রপতিকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানান উপাচার্য। রাষ্ট্রপ্রধান সানন্দে এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং নির্দিষ্ট সময়ে সমাবর্তনে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


উক্ত সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিবের পাশাপাশি খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশিষ্ট অধ্যাপকরা উপস্থিত ছিলেন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর