ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬,  ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুব উন্নয়নের নিয়োগে প্রশ্নফাঁস: এনবিআর ও সরকারি দপ্তরের কর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭ মোদি সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ বিজেপির বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের চুরি হওয়া আরও ৩ লাখ টাকা উদ্ধার দিল্লিতে ককরোচ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে ফের আটক রাজনৈতিক দুনিয়ায় কাউকে বিশ্বাস করি না: নিউজম্যাক্সে বিস্ফোরক মন্তব্য ট্রাম্পের সেন্ট্রাল পার্কে পতাকা উত্তোলন রুখতে দিল্লিতে হাজার হাজার পুলিশ ঋণের চাপ সামলাতে আর্থিক সংস্কারের তাগিদ আইএমএফের সেন্ট্রাল পার্কে পতাকা উত্তোলনের ডাক: সিজেপি প্রধান দিপকের বাড়িতে দিল্লি পুলিশ আটকের ১৫ ঘণ্টা পর দুই পুলিশকে ফেরত দিলো বিএসএফ শত ব্যস্ততার মাঝেও সাধারণ মানুষের দুয়ারে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

ভারতে ছাত্র আন্দোলনে 'বাংলাদেশি মডেল'

মোদি সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ বিজেপির


  • আপলোড সময় : শুক্রবার ১৬ অক্টোবর, ২০২৬ সময় : ১০:০৩ পিএম

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির রাজনীতিতে এখন তীব্র উত্তাপ। ভোটার তালিকার স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় কথিত ব্যাপক অনিয়ম, ভোট চুরি ও কারচুপির অভিযোগে রাজপথ যখন হাজার হাজার বিক্ষোভকারীর স্লোগানে উত্তাল, ঠিক তখনই দেশটির রাজনৈতিক আলোচনা ও বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এসেছে ‘শাসন পরিবর্তন’ বা ‘রিজিম চেঞ্জ’ প্রসঙ্গ।


তরুণদের অরাজনৈতিক দল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি), অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) মতো বামপন্থি ছাত্র সংগঠন এবং বিভিন্ন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের তাৎক্ষণিক পদত্যাগ ও অপসারণের দাবিতে অনড় অবস্থান নিয়েছে। অন্যদিকে, প্রধান বিরোধী দল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস দেশের বিভিন্ন রাজ্যে ‘ভোট চুরি’র বিরুদ্ধে সমান্তরাল প্রচারণা জোরদার করেছে। এই সম্মিলিত আন্দোলনের মুখে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) বিরোধী শিবির ও আন্দোলনকারীদের ওপর এক অভূতপূর্ব রাজনৈতিক আক্রমণ শুরু করেছে। বিজেপির স্পষ্ট অভিযোগ—কংগ্রেসসহ কিছু উগ্র গোষ্ঠী ভারতের উদীয়মান যুবসমাজকে চরম বিভ্রান্ত করছে এবং দেশজুড়ে অরাজকতা সৃষ্টি করে অসাংবিধানিক উপায়ে নির্বাচিত সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে।


এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই বিজেপি নীতিনির্ধারকরা বারবার সতর্ক করে বলছেন, বাংলাদেশে ২০২৪ সালের রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে যেভাবে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রাজপথের তীব্র আন্দোলনের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হতে হয়েছিল, ভারতেও ঠিক সেই ‘বাংলাদেশি মডেল’ প্রয়োগের এক গভীর নীল নকশা বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে। আইসা সভাপতি নেহা বোরা কর্তৃক বাংলাদেশের শেখ হাসিনাবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে প্রকাশ্যে অনুপ্রেরণা হিসেবে বর্ণনা করা এবং প্রবীণ আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণের সংবাদ সম্মেলনে সরাসরি ‘রিজিম চেঞ্জ’-এর আহ্বান বিজেপির এই আশঙ্কাকে সত্য প্রমাণিত করার বড় হাতিয়ার হয়ে উঠেছে।


ক্ষমতাসীন দলটি দাবি করছে, এসব বিতর্কিত বক্তব্য এবং রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন বিরোধী দলগুলোর নির্বাচন কমিশন বিরোধী তৎপরতা একই সুতোয় গাঁথা। শুরুতে এসআইআর ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা একটি সাধারণ প্রতিবাদ এখন ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার এক মহা যুদ্ধে রূপ নিয়েছে। তবে রাজনীতি বিশ্লেষকদের মনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে—আন্দোলনকারীরা কি বাস্তবিকই ভারতের গণতন্ত্র রক্ষায় সোচ্চার হয়েছে, নাকি বিজেপির অভিযোগের মতোই অসাংবিধানিক উপায়ে মোদি সরকার ফেলার ষড়যন্ত্র চলছে?


ঘটনার সূত্রপাত ঘটে গত ১৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবার, নয়াদিল্লির প্রেস ক্লাব অব ইন্ডিয়াতে আয়োজিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে। সিজেপির পূর্বঘোষিত ‘তেরঙ্গা যাত্রা’র আগের দিন নির্বাচন কমিশনের কথিত অনিয়ম, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ এবং সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ, সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে, আইসা সভাপতি নেহা বোরা, রাজ্যসভার সংসদ সদস্য কপিল সিব্বল এবং খ্যাতিমান অভিনেতা প্রকাশ রাজ উপস্থিত ছিলেন।


সংবাদ সম্মেলনে প্রশান্ত ভূষণ অত্যন্ত সরাসরি কণ্ঠে মন্তব্য করেন, "এই সরকার বারবার ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে বলছে এটি নাকি বিরোধীদের পরিচালিত রিজিম চেঞ্জ বা শাসন পরিবর্তনের অপারেশন। আমরা মূলত দেশের নির্বাচনি প্রক্রিয়া ও গণতন্ত্রকে রক্ষা করার আকুল আবেদন জানাচ্ছি। কিন্তু সরকার যদি এই ধরনের একনায়কতন্ত্র ও বিমাতাসুলভ আচরণ চালিয়ে যায়, তবে নিশ্চিতভাবেই শাসন পরিবর্তন ঘটবে। আমরা সবাই ভারতে শাসন পরিবর্তন চাই, এতে নীতিগত কোনো ভুল নেই। শাসন পরিবর্তন ঘটানো প্রতিটি স্বাধীন নাগরিকের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক অধিকার এবং অত্যাচারী সরকারের বিরুদ্ধে জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি করা কোনো অপরাধ নয়।" প্রশান্ত ভূষণের এই সরাসরি বক্তব্য ক্ষমতাসীন বিজেপিকে প্রমাণ করার সুযোগ করে দেয় যে, চলমান আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য কেবল নির্বাচনি সংস্কার নয়, বরং নির্বাচিত সরকার পতনের ষড়যন্ত্র।


প্রশান্ত ভূষণের এই বিতর্কিত মন্তব্যের আগেই ভারতের সোশ্যাল মিডিয়ায় আন্দোলনটির সঙ্গে বাংলাদেশের ২০২৪ সালের সরকার পতনের তুলনামূলক আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছিল। গত ১৪ অক্টোবর বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের জাতীয় সম্মেলনে পাঠানো এক বিশেষ ভিডিও বার্তায় আইসা সভাপতি নেহা বোরা বাংলাদেশের ৫ আগস্টের পরিবর্তনকে ‘ঐতিহাসিক বিপ্লব’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে ভূয়সী প্রশংসা করেন। উল্লেখ্য, নেহা বোরা ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে যন্তর মন্তরে লাদাখের সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকের অনশন কর্মসূচীতেও অন্যতম নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ভিডিও বার্তায় নেহা বোরা জোর দিয়ে বলেন, "ভারতে আজ যে জেন-জি আন্দোলন ও যুবজাগরণ আপনারা দেখছেন, তা মূলত বাংলাদেশে শুরু হয়েছিল। আমাদের নতুন পথ দেখানোর জন্য বাংলাদেশের তরুণ সমাজকে লাল সালাম ও অভিনন্দন। আপনাদের সংগ্রাম থেকে আমরা প্রতিদিন শিক্ষা ও অনুপ্রেরণা নিচ্ছি।"


নেহা বোরার এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র প্রদীপ ভান্ডারী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) ভিডিওটি শেয়ার করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি লেখেন, "রাহুল গান্ধীর পছন্দের পোস্টার গার্ল নেহা বোরা স্পষ্ট বলছেন, ভারতের বিপ্লবের জন্য নাকি বাংলাদেশ পথ দেখিয়েছে! এটি ভারতে অরাজকতার মাধ্যমে শাসন পরিবর্তনের এক উন্মুক্ত স্বীকারোক্তি। রাহুল গান্ধী এবং তাঁর সঙ্গীরা ভারতের সার্বভৌমত্ব ও রূপায়িত গণতন্ত্রের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি!" উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশে কোটা আন্দোলন এক দফায় রূপ নিয়ে শেখ হাসিনার বিদায় ঘটেছিল। বিজেপি এখন আশঙ্কা করছে, ঠিক সেই ধাঁচে ভারতেও বিদেশী অর্থায়ন ও রাজপথের তাণ্ডব ব্যবহার করে মোদি সরকারকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। এই বিতর্কে মার্কিন সংস্থা ফোর্ড ফাউন্ডেশন এবং সিআইএ-র সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠে আসায় পরিস্থিতি আরও জটিল রূপ নিয়েছে।


আন্দোলনকারীদের এই অবস্থানকে কেন্দ্র করে ভারতের হেভিওয়েট বিজেপি নেতারা একযোগে বিরোধী শিবিরের ওপর চড়াও হয়েছেন। ১৬ অক্টোবর শুক্রবার লখনউতে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং কংগ্রেসের বিরুদ্ধে কঠোর আক্রমণ হানেন। রাজনাথ সিং সরাসরি অভিযোগ করে বলেন, "কংগ্রেস ও তাদের দোসররা রাজপথের সহিংস আন্দোলনকে অস্ত্র বানিয়ে ভারতে বাংলাদেশি ধাঁচের অবৈধ শাসন পরিবর্তনের দুঃস্বপ্ন দেখছে। দেশের অমিত সম্ভাবনাময় যুবসমাজকে অরাজকতার রাজনীতিতে দাবার ঘুঁটি বানানো হচ্ছে। সংঘাতের উন্মাদনা ছেড়ে আলোচনা ও রাষ্ট্র গঠনের পথেই সবাইকে ফিরে আসতে হবে।" একইভাবে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস বলেন, আন্দোলনের নামে পুরো ভারতে এক ধরনের নৈরাজ্য সৃষ্টি করাই এই গোষ্ঠীর আসল এজেন্ডা। গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত কড়া বার্তা দিয়ে জানান, "ভারতে কেবল ব্যালট বাক্সের মাধ্যমেই জনগণ সরকার পরিবর্তন করে; কোনো ধরনের পেশিশক্তি বা সংবিধনাকে পাশ কাটিয়ে বিপ্লবের নামে সরকার উৎখাত সহ্য করা হবে না।"


বিজেপির সংসদ সদস্য সংবিত পাত্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "প্রশান্ত ভূষণের চরম দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্যই প্রমাণ করে তারা ভারতীয় গণতন্ত্রকে কতটা অবজ্ঞা করে। ভারত ১৪০ কোটি মানুষের দেশ, কারও ব্যক্তিগত জিম্মি নয়।" অন্যদিকে বিজেপির জাতীয় সভাপতি নিতিন নবীন সরাসরি অভিযোগ করেন যে, কংগ্রেস ও সিজেপি মোদি সরকারকে টেক্কা দিতে সরাসরি আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠীর প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী কাজ করছে। এমনকি জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠির সেনাবাহিনী ও পুলিশকে নিয়ে করা সাম্প্রতিক কিছু মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তাঁকে ‘দেশবিরোধী’ চক্রের অংশ বলে চিহ্নিত করেছে বিজেপি।


তবে বিজেপির এসব বিস্ফোরক অভিযোগের জবাবে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অত্যন্ত কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করা হয়েছে। কংগ্রেসের প্রবীণ মুখপাত্র পবন খেড়া প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংকে বিদ্রুপ করে ‘শার্লক হোমস’ আখ্যা দিয়ে বলেন, "গণতান্ত্রিক নির্বাচনে অংশ নিয়ে জনমতের ভিত্তিতে সরকার পরিবর্তন করার কথা বিরোধীরা কখনোই গোপন করেনি। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে আন্দোলন ও নির্বাচনের মাধ্যমেই শাসন পরিবর্তন ঘটে। ১৯৭৭ সালে জরুরি অবস্থার পর কি ভারতে শাসন পরিবর্তন হয়নি? আমাদের লক্ষ্য নির্বাচনের মাধ্যমে এই অত্যাচারী বিজেপি সরকারকে বিদায় করা।"


তবে সরকার উৎখাত ও 'বাংলাদেশি মডেল'-এর এই উত্তপ্ত বিতর্কের মাঝেই নিজেদের সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করে দূরত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। আটক হওয়ার আগে দলের তরুণ প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে এক গভীর রাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বলেন, "আমাদের দাবি অত্যন্ত স্পষ্ট ও নির্দিষ্ট। আমরা প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে সরিয়ে একজন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ব্যক্তিকে সেই পদে দেখতে চাই। আমরা কোনো নির্বাচিত সরকার ফেলে দেওয়া বা রাষ্ট্রীয় অরাজকতার কথা বলছি না।


আমরা সাধারণ নাগরিক হিসেবে নির্বাচন কমিশনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা চাচ্ছি।" রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের রাজপথের তরুণদের আন্দোলন এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের যোগসূত্র টেনে প্রশান্ত ভূষণ ও নেহা বোরার মন্তব্য বিজেপিকে এক বিশাল রাজনৈতিক অস্ত্র উপহার দিয়েছে। এর ফলে এসআইআর প্রক্রিয়া ও নির্বাচন কমিশনের ওপর বিরোধী শিবিরের যে প্রাতিষ্ঠানিক চাপ তৈরি হয়েছিল, তা থেকে কৌশলগতভাবে মনোযোগ সরিয়ে এখন আন্দোলনকারীদের দেশবিরোধী রাজনৈতিক মতলব ও উদ্দেশ্যকেই প্রধান আলোচনায় নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছে নরেন্দ্র মোদির দল।

(সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে)


এ সম্পর্কিত আরো খবর