ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬,  ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড অন্ধ্র প্রদেশ, নিহত ৫ কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর, কাঠগড়ায় ড্যাব ইনানীতে গভীর নলকূপের গর্ত থেকে দুই দিন ধরে জ্বলছে আগুন এল নিনো ও যুদ্ধের প্রভাবে নতুন খাদ্যসংকটের সতর্কবার্তা বিশ্বব্যাংকের দেশের ৮ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস কুষ্টিয়ায় ছয় হত্যা মামলায় হানিফসহ চারজনের রায় আজ স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: ৬৮ জনের মৃত্যু, ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক সৌদিতে মাঝআকাশে উড়িয়ে দেওয়া হলো হুথিদের ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রাইজবন্ডের ১২৫তম ড্র রোববার, প্রথম পুরস্কার ৬ লাখ টাকা জাপান সফরের তৃতীয় দিনে একাধিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও জাদুঘর ঘুরে দেখলেন জুবাইদা রহমান

ভৈরবে ইলেক্ট্রিক শকে মাছ ধরছেন জেলেরা: দুই জেলেকে আর্থিক জরিমানা


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ০৩ জুলাই, ২০২৫ সময় : ৫:১০ পিএম

 ভৈরব প্রতিনিধি:

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মেঘনা ও কোদালকাটি নদীতে অবৈধভাবে ইলেকট্রিক শক ব্যবহার করে মাছ ধরার প্রবণতা বেড়েছে স্থানীয় জেলেদের মধ্যে। এমন অভিযোগে নদীতে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে মাছ ধরার কাজে ব্যবহৃত ব্যাটারি ও ইলেক্ট্রিক যন্ত্রপাতিসহ দুই জেলেকে হাতেনাতে আটক করা হয়।

এসময় ভৈরবের শিমুলকান্দির পাচঘরহাটি এলাকার প্রবির চন্দ্র দাশ এবং ইমামেরচর এলাকার নুরুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা করে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার শবনম শারমিন।

আজ ৩জুলাই, বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস বিভাগ নদীতে এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানের খবর পেয়ে অনেক জেলেরাই মাছ ধরা রেখে নদীতে থেকে নিরাপদে চলে যায়। মেঘনা নদীর  ফেরিঘাট, পাওয়ার হাউজ, কোদালকাটি নদীর পয়েন্ট, রাজাকাটা, শিমুলকান্দি, ইমামেরচর এবং তেয়ারিচরসহ ব্রহ্মপুত্র নদের বিভিন্ন স্পটে ইলেক্ট্রিক শক দিয়ে মাছ ধরা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ অভিযানে সহযোগিতা করে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয় বণিক, সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান খান, সহকারী পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা সিহাব উদ্দিন এবং নৌ পুলিশের সদস্যরা।

সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয় বণিক বলেন,  নদীর তলদেশে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে মাছ ধরা মৎস্য আইনের পরিপন্থী। নদীতে বৈদ্যুতিক শক পদ্ধতিতে মাছ ধরা অত্যন্ত বিপজ্জনক। এতে শুধু মাছ নয়, ডিমপাড়া মাছ, পোনা ও অন্যান্য জলজ প্রাণী যেমন কাঁকড়া, কুচিয়া, শামুক, গুইসাপ পর্যন্ত মারা পড়ে। নদীর জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের অন্যতম কারণের মধ্যে একটি হলো বৈদ্যুতিক শক দিয়ে মাছ ধরা। স্থানীয়দের অভিযোগ পেয়ে, নদীতে অভিযান চালিয়ে দুই জেলেকে আটক করার পর জরিমানা করা হয়। এবং বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

 আকাশজমিন/আরআর


এ সম্পর্কিত আরো খবর