ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬,  ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: বিপুল ভোটে জয়ী বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন ১৪ বছর পর পর্দায় ফিরেই তোলপাড়, দেব-শুভশ্রীর রসায়নে নতুন গুঞ্জন টলিপাড়ায় চট্টগ্রাম বন্দরে পাকিস্তান থেকে আসা ৪৯৪ কোটি টাকার তামাক আটক পাকিস্তানে অ্যাম্বুলেন্সে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ নিহত ৯ সখীপুরে মাটির নিচে মিলল দুটি বাক্স, উদ্ধার রকেট লঞ্চারসদৃশ ১২ বস্তু মদ ও সিগারেটের প্রলোভনে কিশোরকে বারবার যৌন নির্যাতন আমরা অবশ্যই এই ভোট নিয়ে সন্তুষ্ট: ইসি সচিব আখতার আহমেদ আন্দোলনে সহিংসতায় জড়ালে মিলবে না সরকারি চাকরি: ভারতের নতুন নীতি হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘স্পাই ড্রোন’ আটক করল ইরান এআই দেখে বিষাক্ত মদ তৈরি: ভারতে ১৩ জনের মৃত্যু

পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ, বিপদে কৃষক


  • আপলোড সময় : শনিবার ১৬ আগস্ট, ২০২৫ সময় : ৪:২৭ পিএম

মোহনগঞ্জ (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি

নেত্রকোণার মোহনগঞ্জে কুঁচিরগাঁও মৌজায় ৭ একর ফসলি জমি থেকে বর্ষার পানি বের হওয়ার নালার মুখ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে ওই গ্রামের ১১ জন কৃষকের প্রায় ৭ একর জমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে চলতি রোপা আমন মৌসুমে ওই জমিতে আবাদ বন্ধ রয়েছে। সম্প্রতি উপজেলার ১নং বড়কাশিয়া-বিরামপুর ইউনিয়নের করমশ্রী গ্রামের সবুজ মিয়া নামে এক কৃষকের বিরুদ্ধে একই ইউনিয়নের পাশের কুঁচিরগাঁও গ্রামের মর্জিনা আক্তার নামে এক বিধবা নারীসহ একই গ্রামের ১১ কৃষকের সই করা একটি লিখিত অভিযোগ উপজেলা ইউএনওর কাছে জমা পড়েছে।

অভিযোগ থেকে জানা গেছে, কুঁচিরগাঁও গ্রামের পাশে ওই গ্রামের ১০-১২ কৃষকের প্রায় ৭ একর ফসলি জমি রয়েছে। ওই জমি তারা পৌষ-মাঘ মাসে বোরো ও শ্রাবণ-ভাদ্র মাসে রূপা আমন ধান চাষ করেন। জমির পানি বের হওয়ার জন্য একটি নালা রয়েছে। করনশ্রী গ্রামের কৃষক সবুজ মিয়ার জমির পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ওই নালার মুখটি এবার তিনি মাটি দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে ৭ একর জমির পানি নামতে না পারায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে জমির মালিক কৃষকরা বিপাকে পড়েছেন।

অন্যদিকে, তাদের ওই জমিতে রোপণ করার জন্য তারা উঁচু এলাকায় তৈরি করা বীজতলাগুলো থেকে যথাসময়ে ধানের চারা তুলতে না পারায় সেগুলোও নষ্ট হচ্ছে। এ অবস্থায় কৃষকরা ইউএনওর সাহায্য চেয়েছেন।

অভিযুক্ত কৃষক সবুজ মিয়া বলেন, পানি নিষ্কাশনের রাস্তা আগে ছিল কুদ্দুস মিয়ার জায়গা দিয়ে। কিন্তু আমাকে না জানিয়েই মেম্বার বকুল মিয়াসহ অন্যারা আমার জায়গায় পানি নিষ্কাশনের জন্য একটি কালভার্ট নির্মাণ করেছেন। এ কারণে আমি ওই নালার মুখটি বন্ধ করে দিয়েছি।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জুয়েল আহমেদ বলেন, অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কাছে পাঠিয়েছি।

আকাশজমিন/আরআর


এ সম্পর্কিত আরো খবর