ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

‘আমার মুখই চেপে ধরা হয়, ছবিটি এআই জেনারেটেড নয়’


  • আপলোড সময় : শনিবার ৩০ আগস্ট, ২০২৫ সময় : ১:০৩ এএম

প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলাকালে এক ছাত্রের মুখ চেপে ধরছেন পুলিশ কর্মকর্তাএমন একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। কয়েকটি গণমাধ্যমেও তা প্রকাশিত হয়। মুখ চেপে ধরা ওই শিক্ষার্থীর নাম রাফিদ জামান খান। তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শেরেবাংলা হলের শিক্ষার্থী। ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র তিনি।

আন্দোলনে পুলিশি নির্যাতনের শিকার বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রাফিদ জামান খান  বলেন, যমুনার দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ প্রথমে শিক্ষার্থীদের ওপর আক্রমণ করে। সেখানে পুলিশ সদস্যরা আমাকে পেছন থেকে মারধর করতে থাকে। এতে ঘটনাস্থলে আমি একরকম নিশ্চুপ হয়ে বসে পড়ি। আমার মুখই চেপে ধরা হয়েছিল। ছবিটি এআই জেনারেটেড নয়। প্রকৃত ঘটনাটি আমার সঙ্গে ঘটেছে। ঘটনার সময় এক পুলিশ সদস্য পেছন থেকেই মুখ চেপে ধরলে জন বুট দিয়ে লাথি মারতে থাকেন। ওই ঘটনায় চারটি এক্সরে করা হয়েছে।

মুখ চেপে ধরা পুলিশ সদস্যকে চিনতে পেরেছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ধারণা করছি ডিসি মাসুদ আমার মুখ চেপে ধরেন। পুলিশের এমন আচরণ অপেশাদার ছিল। নিরস্ত্র শিক্ষার্থীদের ওপর এভাবে হামলা করা উচিত হয়নি তাদের। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং বিচার চাই।

তবে বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) এক বিবৃতির পর ওই ছবি নিয়ে নতুন বিতর্ক সমালোচনা তৈরি হয়। সেই বিবৃতিতে দাবি করা হয়, ‘সম্প্রতি রমনা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মাসুদ আলমকে নিয়ে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে এক ছাত্রের মুখ চেপে ধরার একটি ছবি বিভিন্ন গণমাধ্যম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। ছবিটি এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি এবং বাস্তবতা বিবর্জিত বলে দাবি করে ডিএমপি।গতকাল রাত সাড়ে ৯টার সময়ওডিএমপি নিউজেসেই ছবি নিয়ে তাদের ব্যাখ্যামূলক প্রতিবেদনটি ছিল।

তবে একাধিক গণমাধ্যমের ফটো সাংবাদিক বুয়েট শিক্ষার্থীর মুখ চেপে ধরার ছবি তুলেছেন। তাদের কাছে ওই ছবি রয়েছে। এছাড়া তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান রিউমর স্ক্যানার তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত খবরে বলছে, ডিসি মাসুদ আলমের আন্দোলনকারীর মুখ চেপে ধরার ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি নয়। প্রকৃতপক্ষে আসল ছবিকেই এআই দিয়ে তৈরি বলে প্রচার করেছে ডিএমপি।

তথ্য যাচাইকারী বা ফ্যাক্ট চেক প্রতিষ্ঠান ডিসমিসল্যাব আজ তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলছেবুয়েট ছাত্রের মুখ চেপে ধরার ছবি এআই দিয়ে বানানো নয়।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় শাহবাগ থানার এক পুলিশ কর্মকর্তা হাইকোর্টের সামনে একজন আন্দোলনকারীর মুখ চেপে ধরেছিলেন। সেই ছবিটিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ায়যেটি কণ্ঠরোধের প্রতীক হয়ে ওঠে। বুধবারের ছবির সঙ্গে গত বছরের সেই ছবির তুলনা করে অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনা করেন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর