ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

জরুরি বৈঠকে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা


  • আপলোড সময় : শনিবার ৩০ আগস্ট, ২০২৫ সময় : ৩:৫৭ পিএম

গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর হামলার ঘটনাসহ সার্বিক বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। নানা মহলে চলছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী কর্মকাণ্ড নিয়ে সমালোচনা। এমন পরিস্থতিতে জরুরি বৈঠকে বসেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।   শনিবার (৩০ আগস্ট) ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম বৈঠকের বিষয়টি জানিয়েছেন।

 নজরুল ইসলাম জানান, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক চলছে। সিভিলে থাকা যে ব্যক্তি ছাত্রনেতা সম্রাটকে মারধর করেছেন তাকে আটক করা হয়েছে কিনা বা তার পরিচয় উদঘাটন হয়েছে কিনা সে বিষয়ে এখনই মন্তব্য করতে চাই না। বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে।

গণ অধিকার পরিষদের ওপর লাঠিচার্জের সময় পুলিশ-সেনা বাহিনীর সামনে লাল পোলো-শার্ট পরা এক ব্যক্তিকে ছাত্রনেতা সম্রাটকে এলোপাথাড়ি লাঠিপেটা করতে দেখা যায়। তখন তিনি নিজেকে পুলিশ সদস্য দাবি করলেও ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) এখনো তার নাম-পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি।

গতকাল শুক্রবার রাতে রাজধানীর বিজয়নগরে জাতীয় পার্টির (জাপা) নেতাকর্মীদের সঙ্গে গণ অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের পর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর হামলায় গুরুতর আহত হন গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরসহ দলটির বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী। ঘটনার পর নুরকে উদ্ধার করে প্রথমে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে রাত ১১টার দিকে তাকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে স্থানান্তর করা হয়।

এদিকে ঢামেক পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, হামলায় নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে। চোখের ওপরে আঘাত রয়েছে, মাথায় সামান্য রক্তক্ষরণ রয়েছে।  তিনি বলেন, ‘আহত অবস্থায় রাতে হাসপাতালে আনা হলে প্রথমে ক্যাজুয়ালটি বিভাগের চিকিৎসকরা তাকে দেখেন। সেখান থেকে তাকে ওয়ান স্টপ ইমার্জেন্সি সেন্টারে (ওসেক) রাখা হয়। পরে রাতেই আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘রাতেই পাঁচ বিভাগের চিকিৎসকদের নিয়ে মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয় এবং তাদের পরামর্শে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তার বর্তমান অবস্থা স্টেবল (স্থিতিশীল) রয়েছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘৪৮ ঘণ্টা না যাওয়া পর্যন্ত অবস্থা শঙ্কামুক্ত বলছি না। তার মস্তিষ্কে যে রক্তক্ষরণ হয়েছে, সেটা ওষুধে ভালো হয়ে যাবে বলে আশা করছি।

আকাশজমিন/আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর