ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১৭ সেপ্টেম্বর আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকের পরই ভোটের তারিখ চূড়ান্ত: ইসি সচিব খোঁজ পেলেই ৭ দণ্ডপ্রাপ্তকে গ্রেপ্তার করে আনা হবে: চিফ প্রসিকিউটর সরকারি অফিসে ‘স্যার’ বলা বাধ্যতামূলক করা খুবই খারাপ: তথ্য উপদেষ্টা জুলাই গণহত্যায় ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড ইউপি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার বিষয়ে সরকার কিছুই জানে না: মীর শাহে আলম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ওবায়দুল কাদের ও আরাফাতসহ ৭ জনের রায় আজ কেন ভারত থেকে টনে টনে ইলিশ আসছে বাংলাদেশে? যুদ্ধ শেষে ইরানের তেলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ইঙ্গিত ট্রাম্পের ৫০ পেরিয়ে পুনরায় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন জেমিমা গোল্ডস্মিথ গ্রিসে নৌকা ডুবে ১ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু, নিখোঁজ ২৫

তিন দশকের লুটের বিচার, নতুন সংবিধান চায় নেপালের তরুণরা


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ সময় : ৬:০৭ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নেপালে সহিংস বিক্ষোভে সরকারের পতনের পর জেনারেশন জি’র তরুণরা নতুন সংবিধান, সরাসরি নির্বাহী নেতৃত্ব এবং গত তিন দশকের লুটপাটের বিচারসহ বিস্তৃত রাজনৈতিক ও সামাজিক সংস্কারের দাবি তুলেছে। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে এ তথ্য জানায়।

তরুণ বিক্ষোভকারীরা জানিয়েছেন, এই আন্দোলন কোনো ব্যক্তি বা দলের জন্য নয়— এটি গোটা প্রজন্ম ও দেশের ভবিষ্যতের জন্য। তাদের দাবি, নিহত প্রত্যেককে রাষ্ট্রীয়ভাবে শহীদ ঘোষণা করতে হবে এবং পরিবারকে সম্মান ও সহায়তা দিতে হবে। এছাড়া বেকারত্ব, অভিবাসন ও সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণে কার্যকর কর্মসূচি গ্রহণেরও আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিক্ষোভকারীদের প্রধান দাবি:

  • বর্তমান প্রতিনিধি পরিষদ ভেঙে দেওয়া।

  • জনগণ, বিশেষজ্ঞ ও তরুণদের অংশগ্রহণে সংবিধান সংশোধন বা পুনর্লিখন।

  • সরাসরি নির্বাচিত নির্বাহী নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা।

  • স্বাধীন, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন।

  • গত তিন দশকের লুট হওয়া সম্পদের তদন্ত ও অবৈধ সম্পদ রাষ্ট্রীয়করণ।

  • শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিচার, নিরাপত্তা ও যোগাযোগ খাতে কাঠামোগত সংস্কার।

এর আগে সোমবার জেনারেশন জি নেতৃত্বাধীন সহিংস বিক্ষোভে অন্তত ২২ জন নিহত হয়। দায় নিয়ে জবাবদিহির দাবিতে শত শত মানুষ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ঘেরাও করলে প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি পদত্যাগ করে দেশত্যাগ করেন।

সরকার পতনের পরও অস্থিরতা কমেনি। পার্লামেন্ট ভবনে আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। সেনাবাহিনী রাতেই কাঠমান্ডু, ললিতপুর, ভক্তপুরসহ বিভিন্ন শহরে মোতায়েন হয়ে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং চলাচলে বিধিনিষেধ জারি করে।

সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, কিছু গোষ্ঠী পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে সাধারণ মানুষের ক্ষতি করছে এবং সরকারি সম্পত্তির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করছে।

আকাশজমিন/আরআর


এ সম্পর্কিত আরো খবর