ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

বিপুল পরিমাণ পণ্য ধ্বংস

যাত্রাবাড়ীতে অবৈধ মশার কয়েল কারখানা সিলগালা


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ০৯ অক্টোবর, ২০২৫ সময় : ১২:৪৪ এএম

ঢাকা মহানগরীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) আজ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে একটি অবৈধ মশার কয়েল উৎপাদনকারী কারখানাকে সিলগালা করেছে। অভিযানে বিপুল পরিমাণ উৎপাদিত পণ্য জব্দ করে ধ্বংস করা হয়।

বিএসটিআই'র বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব সাবেকুন নাহার-এর নেতৃত্বে এবং ঢাকা এপিবিএন-১১ এর সহযোগিতায় মোবাইল কোর্টটি পরিচালিত হয়। অভিযানের লক্ষ্যস্থল ছিল যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইল, তুষারধারা ও দক্ষিণ পাড়া এলাকায় অবস্থিত একটি নামবিহীন কারখানা, যেখানে দীর্ঘদিন ধরে বিএসটিআই'র সিএম (সার্টিফিকেশন মার্ক) লাইসেন্স ছাড়াই বিভিন্ন জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের মশার কয়েল উৎপাদন ও বাজারজাত করা হচ্ছিল।

তদন্তে পাওয়া যায়, এই কারখানায় উৎপাদিত মশার কয়েলগুলোর মধ্যে ছিল ‘এস আর এস’, ‘গ্লোব সুপার’, ‘টিপ-টপ’, ‘স্টার গোল্ড’, ‘নিম পাতা’, ‘তুলসী পাতা’ প্রভৃতি ব্র্যান্ডের পণ্য, যেগুলো আইন অনুসারে অনুমোদনহীন ও মানহীন হিসেবে বিবেচিত। এর ফলে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি হচ্ছিল।

বিএসটিআই'র মোবাইল কোর্ট অবৈধ এই কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে। আদালতের আদেশে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় এক লক্ষ টাকা মূল্যের উৎপাদিত পণ্য ধ্বংস করা হয়। পাশাপাশি মহাপরিচালকের ক্ষমতাবলে অবৈধ কারখানাটি সম্পূর্ণ সিলগালা করে দেওয়া হয়।

বিএসটিআই আদালত দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটিকে বৈধ সিএম লাইসেন্স গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করেছে, যাতে ভবিষ্যতে মান ও নিরাপত্তার চূড়ান্ত নিশ্চয়তা দেওয়া যায়।

মোবাইল কোর্টে বিএসটিআই'র ঢাকার ফিল্ড অফিসার (সিএম) জনাব জেব-উন নেছা ও জনাব সুমাইয়া আফরোজ লিজা যথাক্রমে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বিএসটিআই এই ধরনের অভিযান অব্যাহত রেখে দেশের বাজারে মানসম্পন্ন ও নিরাপদ পণ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

আকাশজমিন/ আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর