ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬,  ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার রাজধানীতে ১৮ মন্ত্রী চলবেন এসকর্ট ছাড়া, বহাল থাকছে ৭ জনের সুবিধা সাতক্ষীরায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা, নেই নাহিদ-লিটন সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬০ জামায়াত জোট ছাড়ার গুঞ্জন নাকচ করল নেজামে ইসলাম চলনবিলে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে নিষিদ্ধ চায়নাদুয়ারী জাল লক্ষ্মীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ধারণ হলো ‘ইত্যাদি’র বিশেষ পর্ব

ত্রিপুরায় তিন বাংলাদেশিকে হত্যার ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ


  • আপলোড সময় : শুক্রবার ১৭ অক্টোবর, ২০২৫ সময় : ৪:৫০ পিএম


অনলাইন রিপোর্টার 

ভারতের ত্রিপুরায় তিন বাংলাদেশি নাগরিককে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, এই জঘন্য ঘটনা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন এবং আইনশৃঙ্খলার প্রতি অগ্রহণযোগ্য আচরণ। বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার এই নিন্দনীয় ঘটনার জন্য গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে এবং ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে যেন তারা অবিলম্বে, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত পরিচালনা করে। একই সঙ্গে তারা এই ধরনের অমানবিক কাজের পুনরাবৃত্তি রোধে সক্রিয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্যও জোর দিয়েছেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলেন, অপরাধীদের দ্রুত চিহ্নিত করে বিচার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। জাতীয়তা নির্বিশেষে, সকল ব্যক্তি—যা সীমান্তের যে কোনো প্রান্তে থাকুক না কেন—মানবাধিকারের পূর্ণ সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার রাখে। বাংলাদেশ সরকার এই নীতি কড়াইসহকারে প্রয়োগ নিশ্চিত করতে চাইছে।

তথ্য অনুযায়ী, ১৫ অক্টোবর ত্রিপুরার একটি সীমান্তবর্তী এলাকায় তিন বাংলাদেশি নাগরিককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। নিহতদের পরিচয় এবং বিস্তারিত তথ্য এখনও সরকারিভাবে প্রকাশ করা হয়নি। তবে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তারা সীমান্ত পারাপার বা স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

এই ঘটনায় বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, মানবাধিকার সংগঠন এবং কমিউনিটি নেতারা নিন্দা জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন অনুযায়ী এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করা অত্যন্ত জরুরি। তারা ভারত সরকারকে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দৃঢ় আহ্বান জানিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সীমান্তবর্তী এলাকায় বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত নজরদারি এবং স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তা অপরিহার্য। এ ধরনের ঘটনা কেবল দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি করে না, বরং সীমান্তবর্তী সাধারণ জনগণের নিরাপত্তাকেও ঝুঁকিতে ফেলে। বাংলাদেশ সরকারের বক্তব্য, তারা এ ঘটনার সমস্ত দিক যাচাই করে প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা নিয়ে মানবাধিকার রক্ষা এবং অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার বিষয়টি ত্বরান্বিত করবে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর