দুপুর ১টা ২৬ মিনিটের দিকে ‘জুলাই যোদ্ধা’দের একাংশ ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে দুপুর ২টা পর্যন্ত উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিক্ষোভকারীরা সংসদ ভবনের মঞ্চ এলাকায় প্রবেশ করে অতিথিদের আসনে বসে স্লোগান দিতে থাকেন। পুলিশ ও এবিপিএন সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের সরে যেতে বললে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
সংঘর্ষ চলাকালে বিক্ষুব্ধরা সংসদ ভবন এলাকার বিভিন্ন স্থানে আগুন ধরিয়ে দেন এবং পুলিশের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও এবিপিএন সদস্যরা সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে এবং লাঠিচার্জ করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেন। পরবর্তীতে পুরো সংসদ ভবন এলাকা ঘিরে ফেলে নিরাপত্তা বাহিনী।
এর আগে শুক্রবার সকাল থেকেই ‘জুলাই শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধা’ ব্যানারে কয়েক শত মানুষ সংসদ ভবনের ১২ নম্বর গেটের সামনে অবস্থান নেন। তারা ‘জুলাই সনদের স্বীকৃতি চাই’, ‘যোদ্ধাদের মর্যাদা দাও’সহ নানা স্লোগান দেন। একপর্যায়ে তারা গেট টপকে ভেতরে প্রবেশ করেন এবং সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা অভিমুখে অগ্রসর হতে থাকেন।
এ সময় ঘটনাস্থলে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলে নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের আটকে দেয় এবং পরে জোরপূর্বক সরিয়ে দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সংসদ ভবনের আশপাশে অতিরিক্ত পুলিশ, র্যাব, এবিপিএন ও বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়।
উল্লেখ্য, শুক্রবার বিকেলে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ঐতিহাসিক ‘জুলাই জাতীয় সনদ–২০২৫’ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের। নিরাপত্তাজনিত কারণে ওই অনুষ্ঠানের সময়সূচিতেও পরিবর্তন আসতে পারে বলে জানা গেছে।
ঢাকাটুডে / আরজে