ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

শেখ হাসিনা সেনাবাহিনীকে উসকে দেওয়ার, গৃহযুদ্ধ লাগানোর চেষ্টা করেছেন: চিফ প্রসিকিউটর


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ২৩ অক্টোবর, ২০২৫ সময় : ৭:১৩ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

চিফ প্রসিকিউটর এক গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানিতে বলেছেন, এক ব্যক্তি দেশে গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সেনাবাহিনী বিরোধী অবস্থানে নিয়ে যেতে চেষ্টা করেছেন। প্রসিকিউটরের বক্তব্য অনুযায়ী, এ ধরনের পরিকল্পনা দেশের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি।

প্রসিকিউটর আদালতে জানিয়েছেন, “রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নেত্রীকে উদ্দেশ্য করে সেনাবাহিনীকে উসকে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এটি এক ধরনের ষড়যন্ত্র, যা গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। এমন পরিকল্পনা কোনোভাবেই ক্ষমা করা যায় না।”

আদালতে তিনি আরও বলেন, এই ধরনের কার্যকলাপ শুধু রাজনৈতিক নয়, বরং আইনগত ও সন্ত্রাসবিরোধী পর্যায়ে দেশের নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলে। তিনি অভিযোগ করেছেন, পরিকল্পনাকারীরা বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করে সমাজে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করেছেন।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, চিফ প্রসিকিউটরের বক্তব্যে দেশের সংবেদনশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এটি প্রমাণ করছে যে, দেশের শান্তি রক্ষায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর দায়িত্ব কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

আদালতে আরও জানানো হয়েছে, তদন্তের সময় পাওয়া প্রমাণ এবং সাক্ষীদের বক্তব্য অনুযায়ী, পরিকল্পনাকারীরা গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা সৃষ্টি করার জন্য সামাজিক ও রাজনৈতিক দিক উভয়কে লক্ষ্য করেছে। চিফ প্রসিকিউটরের ভাষ্য অনুযায়ী, এটি কোনোভাবেই নিন্দাহীন নয়, এবং কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখযোগ্য, এই মামলার গুরুত্ব দেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিচারিক প্রক্রিয়া চলাকালীন আদালত প্রমাণাদি যাচাই ও সাক্ষীদের মাধ্যমে নির্ধারণ করবে যে, আসামীরা কতটা দায়ী।

 আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর