ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

গাঁজা বিক্রি নিষেধ করায় খুন হন ঢাবি শিক্ষার্থী


  • আপলোড সময় : শনিবার ০৮ নভেম্বর, ২০২৫ সময় : ৩:০৮ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার আলম সাম্যকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা মামলায় সাত জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে ডিবি পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক আখতার মোর্শেদ জানান, উদ্যানের ভেতরে গাঁজা বিক্রি করতে নিষেধ করায় সাম্যকে হত্যা করা হয়েছে।

আক্রান্ত আসামিরা হলেন— মেহেদী হাসান, মো. রাব্বি ওরফে কবুতর রাব্বি, মো. রিপন ওরফে আকাশ, নাহিদ হাসান পাপেল, মো. হৃদয় ইসলাম, মো. হারুন অর রশিদ সোহাগ ওরফে লম্বু সোহাগ এবং মো. রবিন। চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে। অব্যাহতির সুপারিশ প্রাপ্তরা হলেন— তামিম হাওলাদার, সম্রাট মল্লিক, পলাশ সরদার এবং সুজন সরকার।

গত ১৩ মে রাত ১১টার দিকে সাম্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছুরিকাঘাতের শিকার হন। রাত ১২টার দিকে বন্ধুরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ১৪ মে সকালে নিহতের বড় ভাই শরীফুল ইসলাম শাহবাগ থানায় ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, মেহেদী এবং তার সহযোগীরা উদ্যানে চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা। তারা গাঁজা বিক্রি শেষে টাকা মেহেদীর কাছে জমা দিত। ঘটনার পূর্বে মেহেদীর কাছে ঠিকমত টাকা না দেওয়ায় সাম্য ও তার বন্ধুরা তাদের গাঁজা বিক্রি বন্ধ করার চেষ্টা করেন। মেহেদী এবং তার সহযোগীরা প্রতিহত করার জন্য সুইচ গিয়ার ও ইলেকট্রিক ট্রেজারগান কিনে রাখে।

ঘটনার দিন কবুতর রাব্বি গাঁজা বিক্রি করছিল, হাতে ইলেকট্রিক ট্রেজারগান ছিল। সাম্য ও তার দুই বন্ধু মোটরসাইকেলে মুক্ত মঞ্চের দিকে গেলে রাব্বিকে থামতে বলে। তখন রাব্বি ৩০-৩৫ গজ দূরে দৌড় দেয়। সাম্য তাকে ধরে চেষ্টা করলে চড়-থাপ্পর মারে। রাব্বির চিৎকারে পাপেল, রিপন, মেহেদী, সোহাগ, হৃদয় ও রবিন ঘটনাস্থলে এসে তর্কা-তর্কি ও হাতা-হাতিতে জড়ায়।

মারামারির সময় সাম্যর বুকে মেহেদী ঘুষি মারে এবং রাব্বির কাছে থাকা সুইচ গিয়ার দিয়ে সাম্যর ডান পায়ে আঘাত করে। আহতরা হাসপাতালে নেওয়ার জন্য বন্ধুরা এগিয়ে আসে। ঘটনাস্থলে থাকা তামিম, সম্রাট ও পলাশও আহত হন, কিন্তু তারা মামলার ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন না।

পরবর্তী সময়ে সুজন সরকার ফেসবুক লাইভে দাবি করেন, যদি দ্রুত সাম্য হাসপাতালে পাঠানো হতো, মৃত্যু রোধ করা যেত। তদন্তে প্রমাণ মেলেনি যে তিনি হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

মামলার অভিযোগপত্রে উল্লেখ, সাম্য ও তার বন্ধুরা আহত অবস্থায় হাসপাতালে পাঠানো হয়। তামিম, সম্রাট ও পলাশ কম আহত অবস্থায় পড়ে থাকলেও তাদের মামলায় সরাসরি জড়িততা পাওয়া যায়নি। তাই তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর