অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি ও বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল। সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ রবিউল হোসেন রবি, আর স্বাগত বক্তব্যে অতিথিদের আহ্বান জানান সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোশাররফ হোসেন চৌধুরী। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা, যাঁরা অনুষ্ঠানকে আরও গৌরবময় করে তুলেছিলেন।
তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন— দৈনিক করতোয়া সম্পাদক মোঃ মোজাম্মেল হক লালু, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সুরাইয়া বেগম, বিজি প্রেসের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, মর্ডান মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ডা. এ জেড এম মাইদুল ইসলাম, নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহা. হাছানাত আলী, ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ও ডিবি প্রধান মোঃ শফিকুল ইসলাম, র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মোঃ ফারুক আহমেদ, এলজিইডি’র অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী এবিএম রেজাউল বারী শাহীন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ড. মোঃ আব্দুর রব, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য কে এম মাহবুবার রহমান হারেজ, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক ও ঢাকাস্থ শিবগঞ্জ উপজেলা (বগুড়া) কল্যাণ সমিতির সভাপতি ড. কাজী মো. ইমদাদুল হক, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ইন্তেজার রহমান, বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন মুকুল এবং জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ তৌহিদুল ইসলাম টিটু।
শুভেচ্ছা বক্তব্যে অনুষ্ঠানকে আরও উজ্জ্বল করেন সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ জাহিদুর রহমান দীপু। শোক প্রস্তাব উপস্থাপন করেন সহ-সভাপতি আ ফ ম জিন্নাতুল ইসলাম তপন, গঠনতন্ত্র সংশোধনী পেশ করেন ড. এ কে এম আহসান হাবিব রুবেল, এবং অডিট ও বাজেটের বিবরণ তুলে ধরেন অর্থ সম্পাদক ড. মোঃ হালিম উল হক লিটন। সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে অংশ নেন সহ-সভাপতি মোঃ মোকাররম হোসেন, সহ-সভাপতি ডা. মোঃ আতাউর রহমান এবং যুগ্ম সম্পাদক মোঃ শফিকুল ইসলাম শফিক।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বগুড়ার বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, আইনজীবী, কৃষিবিদ, শিক্ষাবিদ ও গণমাধ্যমকর্মীরা। তাঁদের মধ্যে ছিলেন কর্ণেল (অব.) মোঃ জগলুল আহসান, পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মার্কেটিং চিফ মোঃ আফজাল হোসেন, ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মোঃ লিয়াকত আলী, ডাক অধিদপ্তরের পরিচালক আ স ম নাসিমুল ইসলাম লেমন, বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক নুরুন্নবী রয়েল, শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ ফারুক আহমেদ, ঢাকাস্থ বগুড়া আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোঃ মশিউর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট বেলাল হোসাইন, এবং বীমা ব্যক্তিত্ব মাকসুদুর হক মাসুম।
মধ্যাহ্নভোজের আয়োজনেও অংশ নেন দুই হাজারেরও বেশি অতিথি, যা ছিল স্বাদ ও সৌহার্দ্যের এক অপূর্ব মিলন। আপ্যায়নের সার্বিক দায়িত্ব পালন করেন সমিতির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও আপ্যায়ন উপকমিটির সদস্য সচিব মোঃ শহিদ মুঞ্জুর জনি। অনুষ্ঠানস্থলের শৃঙ্খলা রক্ষায় নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেন শৃঙ্খলা উপকমিটির সদস্য সচিব ও যুগ্ম সম্পাদক মোঃ শামীম হোসেন।
দিনের শেষাংশে সাংস্কৃতিক পর্বে আইডিইবি অডিটোরিয়াম যেন সুরের সমুদ্রে ভেসে উঠেছিল। দেশবরেণ্য শিল্পী কনকচাঁপা, জিনিয়া জাফরিন লুইপা, সজল মাহমুদ, মেজবাহ বাপ্পি এবং ম্যাক আপেলের গানে মুগ্ধ হন সকল দর্শক। সাংস্কৃতিক পর্বের সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন সহ-সভাপতি মোঃ মোস্তাইন বিল্লাহ এবং সাংস্কৃতিক সম্পাদক সৈয়দ আহসান হাবিব আলোক।
অনুষ্ঠানের চূড়ান্ত আকর্ষণ ছিল লটারি ড্র, যা পরিচালনা করেন সহ-সভাপতি এ কে এম লুৎফুল বারী মুকুল এবং যুগ্ম সম্পাদক মোঃ সালজার রহমান। দিনব্যাপী এই মিলনমেলায় ঢাকায় অবস্থানরত বগুড়াবাসীরা যেন ফিরে গিয়েছিলেন প্রিয় জেলার মাটির টানে, সংস্কৃতির বন্ধনে এবং ঐক্যের উষ্ণতায়। রাজধানীর হৃদয়ে প্রতিধ্বনিত হয়েছে একটাই স্লোগান— “আমরা এক, আমরা বগুড়াবাসী।” এই আয়োজন না কেবল সমিতির ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করেছে, বরং বগুড়ার সন্তানদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।