ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬,  ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার রাজধানীতে ১৮ মন্ত্রী চলবেন এসকর্ট ছাড়া, বহাল থাকছে ৭ জনের সুবিধা সাতক্ষীরায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা, নেই নাহিদ-লিটন সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬০ জামায়াত জোট ছাড়ার গুঞ্জন নাকচ করল নেজামে ইসলাম চলনবিলে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে নিষিদ্ধ চায়নাদুয়ারী জাল লক্ষ্মীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ধারণ হলো ‘ইত্যাদি’র বিশেষ পর্ব

হাসিনার রায়ের পর ঢাকার কড়া বার্তা ভারতের প্রতি


  • আপলোড সময় : সোমবার ১৭ নভেম্বর, ২০২৫ সময় : ৬:৪৯ পিএম

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয়ার পর ভারতকে একটি কড়া চিঠি পাঠিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। চিঠিতে ভারতে অবস্থানরত পলাতক এই দুই আসামিকে বাংলাদেশে হস্তান্তরের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির বরাতে জানা যায়, ট্রাইব্যুনালের রায়ে স্পষ্ট হয়েছে যে, শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গণহত্যার ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত ও দণ্ডপ্রাপ্ত। এ ধরনের অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের অন্য কোনো দেশ আশ্রয় দিলে তা আন্তর্জাতিক আইন ও ন্যায়বিচারের প্রতি অবজ্ঞা হিসেবে গণ্য হবে।

বাংলাদেশ সরকার ভারতের প্রতি অনতিবিলম্বে দণ্ডপ্রাপ্ত এই দুই ব্যক্তিকে প্রত্যর্পণের মাধ্যমে বাংলাদেশে হস্তান্তরের আহ্বান জানিয়েছে। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী ভারতের দায়িত্ব এটি পালন করা।

এর আগে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে একাধিকবার ভারতকে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব পলাতক আসামিকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে। তবে ভারতের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ তাকে ফেরত চেয়ে চিঠি দিয়েছে, কিন্তু এখনও ভারত থেকে কোনো ইতিবাচক উত্তর আসেনি। বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে এই প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এখন বিশেষ গুরুত্ব পাবে, কারণ রাজনৈতিক ও আইনগত এই ইস্যু দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের ফলে বাংলাদেশে এবং দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। এর প্রভাব শুধু দুই দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকেও প্রভাবিত করতে পারে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর