ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬,  ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার রাজধানীতে ১৮ মন্ত্রী চলবেন এসকর্ট ছাড়া, বহাল থাকছে ৭ জনের সুবিধা সাতক্ষীরায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা, নেই নাহিদ-লিটন সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬০ জামায়াত জোট ছাড়ার গুঞ্জন নাকচ করল নেজামে ইসলাম চলনবিলে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে নিষিদ্ধ চায়নাদুয়ারী জাল লক্ষ্মীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ধারণ হলো ‘ইত্যাদি’র বিশেষ পর্ব

৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে রায় কার্যকর: প্রসিকিউটর


প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার

  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ১৮ নভেম্বর, ২০২৫ সময় : ৮:০০ পিএম

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম জানিয়েছেন, ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবে। মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করা না হলে তারা গ্রেপ্তার হলে রায় বাস্তবায়িত হবে।

গত সোমবার একটি মামলায় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। একই মামলায় সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

ট্রাইব্যুনাল আইনের ২১ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, দণ্ডপ্রাপ্তরা রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে পারবেন। এই সময়সীমা অতিক্রান্ত হলে আপিল গ্রহণযোগ্য হবে না। এছাড়া, ২১ নম্বর ধারার ৪ উপধারায় বলা হয়েছে, আপিলের নিষ্পত্তি করতে হবে ৬০ দিনের মধ্যে।

প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার জানান, দেশের ফৌজদারি বিচারব্যবস্থায় দুটি পদ্ধতি রয়েছে। যেখানে বিশেষ আইনে আপিলের সময়সীমা নির্ধারণ আছে, সেখানে বিলম্ব মার্জনার সুযোগ নেই। অর্থাৎ ৩০ দিন পার হলে আপিলের সুযোগ বন্ধ হয়ে যায় এবং রায় কার্যকর হবে।

এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আইন অনুযায়ী ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। এর পর গ্রেপ্তার হলে রায় কার্যকর হবে।” সাবেক আইজিপি মামুনের পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে কিছু জুলাই যোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সদস্য আপত্তি জানিয়ে আপিল করতে চান। প্রসিকিউটর বলেন, আইন অনুসারে ৩০ দিনের মধ্যে আপিল বিভাগে যেতে পারবেন তারা।

ট্রাইব্যুনালের সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্তদের সম্পর্ক এখন শেষ। তারা শুধু মামলার নথি সংগ্রহ করতে পারবেন। আপিলের সময় জামিনের আবেদন করা যাবে। এই রায় নিয়ে দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবেশে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তবে আইনের যথাযথ প্রয়োগের মধ্য দিয়ে বিষয়টি বিচারাধীন থাকবে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর