ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে সেনাবাহিনী প্রয়োজন: প্রধান উপদেষ্টা


শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে সেনাবাহিনী প্রয়োজন: প্রধান উপদেষ্টা

  • আপলোড সময় : বুধবার ১৯ নভেম্বর, ২০২৫ সময় : ৩:৩০ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ, উৎসবমুখর ও আনন্দময়ভাবে আয়োজনের জন্য সেনাবাহিনীর সহায়তা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বুধবার (১৯ নভেম্বর) দুপুরে মিরপুর সেনানিবাসের ডিফেন্স সার্ভিস কমান্ড ও স্টাফ কলেজ (ডিএসসিএসসি) অডিটোরিয়ামে আয়োজিত কোর্স-২০২৫ গ্র্যাজুয়েশন সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, দেশবাসীর বহুদিনের প্রতীক্ষিত এই নির্বাচনে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সর্বজনীন অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীর সহযোগিতা অত্যন্ত প্রয়োজন। তিনি জানান, নির্বাচনকে আনন্দমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করতে রাষ্ট্রের সব শক্তির পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব ও অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বক্তব্যে ড. ইউনূস জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সেনাবাহিনীর ভূমিকার কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, সেনাবাহিনী তখন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে জাতিকে একটি বড় সংকট থেকে উত্তরণের পথ দেখিয়েছিল। এজন্য তিনি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেন।

এবারের কোর্সে বাংলাদেশ, চীন, ভারত, তুরস্ক, পাকিস্তানসহ বিশ্বের ২৪টি দেশের ৩১১ জন তরুণ সামরিক অফিসার অংশগ্রহণ করেন। এই কোর্সের মাধ্যমে তারা নেতৃত্ব, সামরিক কৌশল, ব্যবস্থাপনা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্পর্কে উন্নত জ্ঞান অর্জন করেছেন। কোর্স শেষে অনেকে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে তারা নিজেদের দেশ এবং যে কোনো সংকটময় পরিস্থিতিতে দায়িত্বপালনে প্রস্তুত।

কোর্সে অংশ নেওয়া এক বাংলাদেশি অফিসার বলেন, ডিএসসিএসসি-র এই প্রশিক্ষণ আমাদের আন্তর্জাতিক সামরিক সহযোগিতা, শান্তিরক্ষা কার্যক্রম এবং জাতীয় সংকট মোকাবিলায় আরও দক্ষ করে তুলবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, অর্জিত এই জ্ঞান দেশের সুরক্ষা এবং রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

চীনের এক সামরিক অফিসার বলেন, বাংলাদেশের এই সামরিক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে যে প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছে তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। ২৩টি দেশের সহকর্মীদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময় করার ফলে পারস্পরিক সম্পর্ক ও বোঝাপড়া আরও গভীর হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে এই জ্ঞান নিজেদের দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

বাংলাদেশি আরেক অফিসার বলেন, প্রধান উপদেষ্টা যেসব বিষয় উল্লেখ করেছেন তা সময়োপযোগী এবং দেশীয় প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, “আমরা যারা কোর্স শেষ করেছি, তারা দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এবং প্রয়োজন হলে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব—যেমন একটি সুষ্ঠু নির্বাচন প্রক্রিয়ায়—সক্রিয় ভূমিকা রাখতে প্রস্তুত।”

অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা ২৪টি দেশের তরুণ সামরিক অফিসারদের হাতে সনদ তুলে দেন। অনুষ্ঠানে সামরিক কৌশল, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, পিসকিপিং মিশন এবং নবীন অফিসারদের ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়।


আকাশজমিন / আরআর 



এ সম্পর্কিত আরো খবর