ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

গণতন্ত্রের পুনঃসূচনা হবে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে: নির্বাচন কমিশন


নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ

  • আপলোড সময় : শনিবার ২২ নভেম্বর, ২০২৫ সময় : ৩:৩৫ পিএম

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে একটি ‘ঐতিহাসিক নির্বাচন’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এই নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্রের পুনঃসূচনা হবে। আর এই গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে এবার রেকর্ড সংখ্যক আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক বাংলাদেশে আসছেন, যা এ পর্যন্ত যেকোনো নির্বাচনের তুলনায় সর্বোচ্চ।

শনিবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনস আয়োজিত এক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন। কর্মশালায় থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইনসহ বিভিন্ন দেশের নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা অংশ নিয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন।

ইসি সানাউল্লাহ জানান, অংশীদার সংস্থাগুলোর অনুরোধে স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের অংশগ্রহণ বাড়াতে বয়সসীমা কমানো হয়েছে। তবে তাদের অভিজ্ঞতা আরও সমৃদ্ধ করতে বাড়তি প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে। তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের জন্য পর্যবেক্ষকদের দক্ষতা এবং মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অংশগ্রহণকারী আন্তর্জাতিক নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনকে সকল অংশীজনের আস্থা অর্জন করতে হবে। রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং গণমাধ্যম—সব পক্ষের সমন্বিত অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা পায় না।

বিশেষজ্ঞরা আরও প্রস্তাব দেন যে আধুনিক নির্বাচন ব্যবস্থার সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলগুলোর অনলাইন প্রচারণাকে একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে আনতে হবে। এজন্য অনলাইন ক্যাম্পেইন পরিচালনায় বাধ্যতামূলক রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা চালুর সুপারিশ করেন তারা।

তাদের মতে, প্রযুক্তিনির্ভর প্রচারণা যেমন বাড়ছে, তেমনি ভুল তথ্য, বিভ্রান্তি বা অপপ্রচারের ঝুঁকিও বাড়ছে। তাই নির্বাচনী পরিবেশকে সুরক্ষিত রাখতে প্রার্থীদের অনলাইন কার্যক্রমও নিয়মের আওতায় আনা জরুরি।

কর্মশালায় অংশ নেয়া বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক উদ্যোগগুলোর প্রশংসা করেন এবং নির্বাচন আয়োজনের প্রতিটি ধাপ সঠিকভাবে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে এবং আন্তর্জাতিক পরিসরেও একটি ইতিবাচক বার্তা দেবে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর