ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৭ মৃত্যু, হাসপাতালে ৫৬৭


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ২৭ নভেম্বর, ২০২৫ সময় : ৬:৪৮ পিএম

বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সারাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৫৬৭ জন রোগী। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো দৈনিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত একদিনে হাসপাতালে ভর্তি মোট ৫৬৭ জন ডেঙ্গু রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে ভর্তি হয়েছেন ৬৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৮৬ জন, ঢাকা বিভাগের সিটি কর্পোরেশনের বাইরের এলাকায় ৯২ জন, ঢাকা উত্তর সিটিতে ১২৫ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ৮৬ জন, খুলনা বিভাগের সিটি কর্পোরেশনের বাইরে ৪১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৭ জন, রাজশাহী বিভাগে ২৫ জন, রংপুর বিভাগে ২ জন এবং সিলেট বিভাগে ভর্তি হয়েছেন ৪ জন নতুন রোগী।

এ ছাড়া গত একদিনে সারাদেশে ৫৮৮ জন রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছর এখন পর্যন্ত ছাড়পত্র পাওয়া রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯০ হাজার ২১৯ জনে। এ বছরের জানুয়ারি থেকে আজ পর্যন্ত সারাদেশে মোট ৯২ হাজার ৭৮৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃত্যুবরণ করেছেন মোট ৩৭৭ জন। গত দুই বছরের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়—ডেঙ্গুর পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক। ২০২৪ সালে পুরো বছরে হাসপাতালে ভর্তি হন এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন ডেঙ্গু রোগী এবং মৃত্যুবরণ করেন ৫৭৫ জন। তার আগের বছর ২০২৩ সালে ডেঙ্গুর পরিস্থিতি ছিল আরও ভয়াবহ—হাসপাতালে ভর্তি হন তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন এবং মৃত্যু হয় এক হাজার ৭০৫ জনের।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ডেঙ্গুর প্রকোপ আশঙ্কাজনকহারে বেড়েছে, বিশেষ করে বর্ষা ও পরবর্তী মৌসুমে। মশকবাহিত এ রোগের সংক্রমণ ঠেকাতে নগর এলাকায় মশার প্রজননস্থল দ্রুত শনাক্ত ও ধ্বংস করা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, এবং সময়মতো সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিচ্ছেন তারা।

ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত পরীক্ষা করাতে এবং প্রয়োজন হলে নিকটস্থ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বর, গা ব্যথা, চোখের চাপ, সারা শরীর ক্লান্তি, পাতলা পায়খানা বা বমি—এগুলো দেখা দিলে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা জরুরি। ডেঙ্গুর বিস্তাররোধে সচেতনতা এবং নিয়মিত পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞরা।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর