ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একনেকে ১২ প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা অপরাধের ধরন পাল্টালেও আধুনিকায়ন হয়নি পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ১৫০টি গ্যাসকূপ খনন ও ৩টি এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ করা হবে: মাহদী আমিন সিরাজগঞ্জে বেপরোয়া গরু চোরচক্র, আতঙ্কে কৃষক-খামারিরা আজ কমতে পারে তাপমাত্রা, স্বস্তির বৃষ্টির পূর্বাভাস দুপুর ১২টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আজ বিশেষ সংবাদ সম্মেলন রাশিয়ার হুমকিতে ফ্রান্সের পারমাণবিক ছাতায় ফিনল্যান্ড জাপানে শতবর্ষী প্রবীণের সংখ্যা ১ লাখ ৭ হাজার, ৮৮ শতাংশই নারী মোহাম্মদপুরে মধ্যরাতে পার্কিং করা বাসে আগুন নন্দিগ্রাম-রেজিনগরের উপনির্বাচন মুসলিমদের জন্য পরীক্ষা: শুভেন্দু অধিকারী

বিদেশ সফরে যেতে পারলেন না তিন ডেপুটি গভর্নর


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ০২ ডিসেম্বর, ২০২৫ সময় : ১:৫৫ পিএম

বাংলাদেশ ব্যাংকের তিন ডেপুটি গভর্নরের চারটি আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ সফর আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ আটকে দিয়েছে। সূত্র জানায়, জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত এসব প্রশিক্ষণ সফরের মধ্যে দুটিতে অংশ নেওয়ার কথা ছিল ডেপুটি গভর্নর মো. কবির আহাম্মদের। বাকি দুটিতে মো. হাবিবুর রহমান এবং জাকির হোসেন চৌধুরীকে পাঠানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনর ও ডেপুটি গভর্নরদের বিদেশ সফরের জন্য সরকারি আদেশ (জিও) প্রয়োজন। অর্থ উপদেষ্টা অনুমোদন দেয়ার পর তা প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে পৌঁছে। অন্য কর্মকর্তা নিজের দায়িত্বের মাধ্যমে বিদেশ সফরের অনুমোদন পেয়ে যান, তবে গভর্নর ও ডেপুটি গভর্নরদের ক্ষেত্রে এটি বাধ্যতামূলক।

গত জুলাইয়ে মরক্কোয় ইসলামি অর্থায়ন ব্যবস্থা নিয়ে ইসলামিক ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস বোর্ডের বার্ষিক সভায় অংশ নেওয়ার জন্য ডেপুটি গভর্নর মো. কবির আহাম্মদ মনোনীত হন। তবে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে জিও চাওয়া হলেও প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় অনুমোদন দেননি।

সেপ্টেম্বরে ফ্রান্সে ডিজিটাল লেনদেন ও কার্ড ব্যবস্থার একটি কর্মশালায় অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ পায় জাকির হোসেন চৌধুরী। সফরের খরচ বহন করার কথা ছিল ভারতের একটি প্রতিষ্ঠানের। তবুও সরকারি অনুমতি না পাওয়ায় তিনি অংশ নিতে পারেননি।

নভেম্বরে আরও দুটি প্রশিক্ষণ সফর বাতিল হয়। একটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের এক দিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল ডেপুটি গভর্নর হাবিবুর রহমানের। আইএমএফের খরচে অংশগ্রহণের পরিকল্পনা থাকলেও সরকারি জিও না থাকার কারণে সফর স্থগিত হয়। চীনে আইএমএফের আরেক প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়ার জন্য মো. কবির আহাম্মদ মনোনীত হন, কিন্তু অনুমতি না পাওয়ায় সফর করা যায়নি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, “সরকারের অনুমতি না পাওয়ায় কয়েকটি আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ ও সম্মেলনে অংশ নিতে পারেননি ডেপুটি গভর্নররা।”

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, বিদেশ সফরের বেশির ভাগ খরচ বিদেশি প্রতিষ্ঠান বহন করে। তবে সরকারি অনুমোদনের অভাবে অংশগ্রহণ সম্ভব হচ্ছে না। সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ মোস্তফা কে মুজেরি বলেন, ‘এ তো রীতিমতো ক্ষমতার লড়াই। দেশের আর্থিক খাতের অবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।’

অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে এখনও কিছু সারসংক্ষেপ অনুমোদন দেননি। জাকির হোসেন চৌধুরীর ফ্রান্স সফরের ক্ষেত্রেও সরকারি নির্দেশনার সঙ্গে বিষয়টি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।


এ সম্পর্কিত আরো খবর