অনলাইন রিপোর্টার
রাজধানী ঢাকায় রোববার (১১ জানুয়ারি) বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে। এসব কর্মসূচি নগরীর বিভিন্ন সড়ক ও এলাকায় যান চলাচলকে প্রভাবিত করতে পারে। তাই রাজধানীতে অবস্থানরত নাগরিকদের প্রয়োজন অনুযায়ী পরিকল্পনা করে যাতায়াত করা উত্তম।
বিজিএনপির কর্মসূচি হিসেবে, দুপুর ১২টায় নয়াপল্টনের ভাসানী ভবন মিলনায়তনে জিয়া মঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও গণভোজ অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু। সভাপতিত্ব করবেন জিয়া মঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম। সঞ্চালক হিসেবে থাকবেন সাধারণ সম্পাদক ফয়েজ উল্লাহ ইকবাল।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) বেলা ১১টায় গুলশান-২ নগর ভবনে নাগরিক দায়িত্ববোধ, সামাজিক সম্পৃক্ততা ও নগর উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনকে নাগরিক পদক–২০২৫ প্রদান করবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মসূচি হিসেবে বিকাশ লিমিটেড কর্তৃক উদ্ভাবিত অনলাইন মার্চেন্ট ওয়ালেটের মাধ্যমে e-TDS সিস্টেমের সাহায্যে উৎসে কর এবং অর্থ বিভাগের A-Challan সিস্টেমের মাধ্যমে মূসক প্রদানের উদ্বোধনী ও ডেমোনস্ট্রেশন সেশন অনুষ্ঠিত হবে। এটি দুপুর ১২টায় অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন এনবিআরের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান।
ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘এমক্যাশ’-এর রিব্র্যান্ডিং কার্যক্রম উদ্বোধন করা হবে। এটি বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।
রাজধানীতে এসব কর্মসূচির কারণে কিছু সড়কে যান চলাচল স্থবির হতে পারে। তাই সকাল কিংবা দুপুরে বের হওয়ার আগে নাগরিকরা তাদের যাতায়াত পরিকল্পনা সমন্বয় করলে সুবিধা হবে। বিশেষ করে নয়াপল্টন, গুলশান-২ ও প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেল সংলগ্ন এলাকা এবং আশেপাশের প্রধান সড়কগুলোতে যানজট ও অস্থিরতা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
রাজধানীর নাগরিক ও কমিউটারদের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ যে তারা পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী চলাচল করলে সময় ও শ্রম বাঁচানো সম্ভব হবে। পাশাপাশি, এসব কর্মসূচি সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের মধ্যে সহযোগিতা, নাগরিক সম্পৃক্ততা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার দিক তুলে ধরবে।
এ ধরনের কর্মসূচি শুধু নগরীর সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবনে গুরুত্বপূর্ণ নয়, এটি সাধারণ জনগণকে শহরের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার সুযোগও প্রদান করে। ফলে নাগরিকরা তাদের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক দায়িত্ব পালন করতে আরও উৎসাহিত হবে।