ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

গুলশানে ফ্ল্যাট থেকে তরুণীর গলা কাটা লাশ উদ্ধার


  • আপলোড সময় : রবিবার ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৩:২৮ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

ঢাকার গুলশান পশ্চিম কালাচাঁদপুর এলাকায় একটি ফ্ল্যাট থেকে সাদিয়া রহমান মীম (২৭) নামে এক তরুণীর গলা কাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, নিহত তরুণী একটি বারে কাজ করতেন। ঘটনাটি রোববার (১৮ জানুয়ারি) স্থানীয় পুলিশ কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) রওনক আলম জানিয়েছেন, গত শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাতে পশ্চিম কালাচাঁদপুর এলাকার দ্বিতীয় তলা থেকে সাদিয়া রহমান মীমের লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশ উদ্ধারকালে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তরুণী ওই ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন এবং সঙ্গে আরও একজন রুমমেট থাকতেন, তবে লাশ উদ্ধারকালে রুমমেটকে পাওয়া যায়নি।

রওনক আলম আরও জানিয়েছেন, ঘটনার বিস্তারিত ঘটনা এবং হত্যার কারণ বের করার জন্য পুলিশ তদন্ত করছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ আশা করছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট থেকে হত্যার প্রকৃতি ও সময় নির্ধারণে সাহায্য মিলবে।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঘটনার সাথে সম্পর্কিত সম্ভাব্য সাক্ষীদের খুঁজে বের করা হচ্ছে। স্থানীয় মানুষ ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ তথ্য সংগ্রহ করছে। এছাড়া, ফ্ল্যাটের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে হত্যাকারীর সনাক্তকরণের চেষ্টা চলছে। পুলিশ আশা করছে, সাক্ষ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে দ্রুত এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হবে।

প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, হত্যাকাণ্ডটি পরিকল্পিত ছিল। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ এবং এ ঘটনায় কারা জড়িত, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, তরুণীর পেশা এবং বসবাসের পরিস্থিতি হত্যার উদ্দেশ্য বা কারণের সঙ্গে সম্পর্ক থাকতে পারে।

পুলিশ লাশ উদ্ধার ও প্রাথমিক তদন্ত শেষে জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডটি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে পরিচালিত হয়েছে। ঘরের ভেতর কোনো বড় লড়াই বা প্রতিরোধের চিহ্ন নেই। হত্যাকারীরা হয়তো অল্প সময়ের মধ্যে ঘটনা ঘটিয়ে চলে গেছেন।

এ ধরনের হত্যাকাণ্ড স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। প্রতিবেশীরা জানিয়েছে, এ অঞ্চলে সাধারণত শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ছিল। তবে সাম্প্রতিক ঘটনায় স্থানীয় মানুষদের নিরাপত্তা উদ্বেগ বেড়ে গেছে। পুলিশ অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে এবং স্থানীয় পর্যায়ে নিয়মিত пат্রোল চালানো হচ্ছে।

ময়নাতদন্ত রিপোর্ট, সিসিটিভি ফুটেজ এবং সাক্ষীদের তথ্য সংগ্রহ শেষে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটন ও অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতারের লক্ষ্য রাখছে পুলিশ। স্থানীয় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিশ্চিত করেছে, অপরাধীদের খুঁজে বের করা এবং ন্যায্য বিচার নিশ্চিত করতে সকল প্রকার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর