ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

আল্টিমেটাম দিয়ে সড়ক ছাড়লেন অটোরিকশা চালকরা


  • আপলোড সময় : সোমবার ১৯ জানুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৫:০৫ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

ঢাকার কুড়িল-রামপুরা সড়কে দুপুরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। ব্যাটারিচালিত রিকশা চালকরা দীর্ঘ সময় সড়ক অবরোধের পর তাদের দাবিতে আল্টিমেটাম দিয়ে সড়ক ছেড়েছেন।

অটোরিকশা চালকরা দাবি করেছেন, ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনকে আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত লিথিয়াম ব্যাটারিচালিত রিকশা বিক্রি বন্ধ করার নির্দেশ দিতে হবে। তা না হলে তারা ১ ফেব্রুয়ারি সিটি কর্পোরেশন ভবন ঘেরাও করবেন।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে উত্তর বাড্ডা থেকে একটি মিছিল নিয়ে তারা রামপুরা ব্রিজে পৌঁছান এবং কর্মসূচি শেষ করেন। আন্দোলনকারীরা আগে জানিয়েছিলেন, সময়সীমার মধ্যে দাবি পূরণ না হলে তারা আবার সড়ক অবরোধ শুরু করবেন এবং দাবি না মানা পর্যন্ত সরবেন না।

সরেজমিনে দেখা যায়, সড়ক ছাড়ার পর কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। মানুষ এবং যানবাহন নিজেদের গন্তব্যে যেতে পারছে। সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বন্ধ থাকা এই সড়কে দীর্ঘ সময় যান চলাচল ব্যাহত হয়েছিল।

ডিএমপির বাড্ডা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাসিরুল আমিন জানান, “অবৈধভাবে অবরোধ করা সড়ক ছাড়ার পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। আন্দোলনকারীরা উত্তর বাড্ডা থেকে রামপুরা ব্রিজ পর্যন্ত মিছিল নিয়ে গিয়ে কর্মসূচি শেষ করেছে।”

ব্যাটারিচালিত রিকশা চালকরা বলেছিলেন, ঢাকা শহরে তাদের ব্যবসায়িক নিরাপত্তা ও বিক্রির স্বাধীনতা নিশ্চিত করা না হলে তারা নিয়মিত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। তবে আজ তারা আল্টিমেটামের মাধ্যমে সড়ক ছেড়েছেন।

দীর্ঘ সময় সড়ক বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষ ও যানবাহনের চালকদের ভোগান্তি হয়েছিল। যাত্রীরা বলছেন, যানজট ও সড়ক অবরোধের কারণে সময় নষ্ট হচ্ছে, অফিস ও ব্যক্তিগত কাজগুলো ব্যাহত হচ্ছে। শহরের ব্যস্ততম এই সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশা চালকদের আন্দোলন স্থিতিশীলভাবে শেষ হওয়ায় কিছুটা স্বস্তি মিলেছে।

উল্লেখ্য, এ ধরনের আন্দোলন আগে ও ঘটেছে। দুই পক্ষের মধ্যে চূড়ান্ত সমাধান না হলে পরবর্তীতে আবারও সড়ক অবরোধ বা প্রশাসনের ভবন ঘেরাও ঘটতে পারে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর