ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

হজে যেতে নিবন্ধন করেছেন ৭৬ হাজার ৫৮০ বাংলাদেশি


  • আপলোড সময় : বুধবার ২১ জানুয়ারী, ২০২৬ সময় : ২:০১ পিএম

চলতি বছর পবিত্র হজ পালনের জন্য মোট ৭৬ হাজার ৫৮০ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। এ বছর বাংলাদেশ থেকে সর্বমোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রীকে হজ পালনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রায় পুরো কোটা পূরণের কাছাকাছি নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, নিবন্ধন সম্পন্ন করা হজযাত্রীদের মধ্যে ৭২ হাজার ৩৪৪ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং ৪ হাজার ২৬০ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় ২০২৬ সালে হজ পালনের প্রস্তুতি নিয়েছেন। সরকারি ও বেসরকারি উভয় ব্যবস্থাপনায় নিবন্ধিত হজযাত্রীদের তথ্য ইতোমধ্যে কেন্দ্রীয়ভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মো. আবুবকর সিদ্দীক জানান, সাধারণ হজযাত্রীদের পাশাপাশি মেডিকেল টিম, হজ গাইড, প্রশাসনিক এবং কারিগরি দলও সৌদি আরবে যাবেন হজযাত্রীদের সহায়তার জন্য। এসব দলের তালিকা সৌদি কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন শেষে তাঁদের যাত্রা ও দায়িত্ব বণ্টনের চূড়ান্ত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।

সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের হজযাত্রীদের চূড়ান্ত নিবন্ধন সম্পন্ন করার শেষ সময় ছিল ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর। একই বছরের ২৭ জুলাই থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে হজ নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করায় হজ ব্যবস্থাপনার প্রস্তুতি নির্ধারিত সময় অনুযায়ী এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় হজ এজেন্সি ও এয়ারলাইনসগুলোকে হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সব নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করার নির্দেশ দিয়েছে। জানানো হয়েছে, ২০২৬ সালের হজযাত্রীদের বহনকারী ফ্লাইট আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে শুরু হবে। সৌদি সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সকল হজযাত্রীর জন্য মেডিকেল ফিটনেস সনদ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, হজযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে স্বাস্থ্য সচেতনতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ সময়ের ইবাদত ও ভিড়ের মধ্যে অবস্থানের কারণে হজযাত্রীদের শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে। সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও সতর্কতা গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

হজযাত্রীরা ই-হজ সিস্টেম, লাব্বাইক মোবাইল অ্যাপ, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, ইসলামী ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা অফিস, বায়তুল মুকাররম হজ অফিস এবং আশকোনা হজ অফিসের মাধ্যমে নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। এসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজ ও স্বচ্ছ করা হয়েছে।

বাংলাদেশি হজযাত্রী বহনের দায়িত্বে থাকবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, সৌদিয়া এয়ারলাইন্স এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স। নির্দেশনা অনুযায়ী, হজ এজেন্সিগুলোকে প্রি-হজ ফ্লাইটের মধ্যবর্তী সময়ে মোট হজযাত্রীর ২০ শতাংশ পাঠাতে হবে। বাকি হজযাত্রীদের প্রথম ও শেষ পর্যায়ের ফ্লাইটে পাঠানোর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে।

মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, কোনো এজেন্সি প্রি-হজ ফ্লাইটের প্রথম বা শেষ পর্যায়ে ৩০ শতাংশের কম এবং ৫০ শতাংশের বেশি টিকিট ইস্যু করতে পারবে না। নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করে টিকিট ইস্যু ও ফ্লাইট পরিচালনা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।


এ সম্পর্কিত আরো খবর