ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

মেয়াদ স্বল্পতায় বিনিয়োগ হয়নি: জ্বালানি উপদেষ্টা


  • আপলোড সময় : রবিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৮:৪৭ পিএম

অন্তর্বর্তী সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বলেছেন, মেয়াদের স্বল্পতার কারণে অনেক বিনিয়োগ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা যায়নি। অনেক সংস্কার উদ্যোগ ও সফলতা জনগণকে দেখানো সম্ভব হয়নি।

রোববার বিদ্যুৎ ভবনে জ্বালানি বিভাগের পাঁচটি নতুন অ্যাপ উদ্বোধন ও বিদ্যুৎ, জ্বালানি সংক্রান্ত মাস্টার প্লান পর্যালোচনার পর তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে বিদায়ী বক্তব্য দেন। ফাওজুল কবির খান বলেন, “দুই বছরের মেয়াদে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির প্রকল্প বাস্তবায়ন করা কঠিন। এই খাতে বিনিয়োগ দরকার ছিল যা আমরা পাইনি সরকারের স্বল্প মেয়াদের কারণে। সৌদি আরবের রাজপরিবারের একজন সদস্যও আমাদের সরকারের মেয়াদ জানতে চেয়েছিলেন। যদি মেয়াদ দীর্ঘ হতো, তবে বিনিয়োগ আসত।”

তিনি আরও বলেন, “একটি এফএসআরইউ স্থাপনও সম্ভব হয়নি। স্বল্প মেয়াদের কারণে বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করা কঠিন। তবে আমরা চেষ্টা করেছি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে কিছু সংস্কার কার্যক্রম সম্পন্ন করতে। আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল দেশের বিদ্যুৎ নিরাপত্তা এবং জ্বালানি সাশ্রয়।”

নিজেদের সম্পদের বিষয়ে উপদেষ্টা জানান, “আমার সম্পদের হিসাব জমা দেওয়া হয়েছে। আমার কোনো ব্যক্তিগত অভিলাষ নেই। দায়িত্ব শেষ হলে গাড়ি কেনার জন্য খরচ হবে, যা সম্পদ পরিবর্তন করবে।”

বিদ্যমান সরকারের দুর্নীতি বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমরা বিভিন্ন অনিয়ম চিহ্নিত করেছি। এখন তার অনুসারে ব্যবস্থা নেওয়া দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়িত্ব। আমরা জাতীয় কমিটি ও ট্যারিফ কমিটি গঠন করেছি এবং সুপারিশ প্রস্তত করেছি, যা পরবর্তী সরকার দেখবে।”

বিদেশি কোম্পানির বকেয়া বিষয়ে ফাওজুল কবির খান বলেন, “অনেক বিদেশি কোম্পানি বকেয়া না দিলে গ্যাস সরবরাহ বন্ধের হুমকি দিত। তাই তাদের বকেয়া আগে পরিশোধ করতে হয়েছে। বকেয়া দ্রুত দেওয়ায় সরবরাহে কোনো বাধা হয়নি।”

বিগত সরকারের দেওয়া বিদ্যুৎ প্রকল্প বিষয়ে তিনি মন্তব্য করেন, “কোনও প্রকল্পেরই ক্যাবিনেট কমিটির অনুমোদন হয়নি। অর্থ বিভাগ বলেছে, অনুমোদন দেয়নি। আদানির বিদ্যুৎ বন্ধ করার বিষয়টি আমরা প্রদর্শন করতে চাইনি, আন্তর্জাতিক চুক্তি ইচ্ছামতো বাতিল করা যায় না।”

রোজার প্রস্তুতি নিয়ে তিনি বলেন, “আমি দাবি করছি না, একদম লোডশেডিং হবে না। তবে আগামী যে সরকারই আসুক না কেন, কোনো বিব্রতকর পরিস্থিতি হবে না। এলপি গ্যাস আমদানি তদারকি করে সমস্যা নেই। বিনিয়োগ ও সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তাই সংকট হবে না।”

উদ্যোগের উদ্বোধনে বিদ্যুৎ সচিব ফারজানা মমতাজ, জ্বালানি সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ, পিডিবির চেয়ারম্যান রেজাউল করিমসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আকাশজমিন / আরআর


এ সম্পর্কিত আরো খবর