ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য হবে: ইউরোপীয় ইউনিয়ন


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৪:১৮ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভার্স ইজাবস। মঙ্গলবার সকালেই রাজধানীর এক হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই প্রত্যাশার কথা জানান।

ইভার্স ইজাবস বলেন, সামগ্রিক নির্বাচনী পরিবেশ ইতিবাচক। তিনি আশাপ্রকাশ করেন, এই নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন প্রত্যক্ষ করার প্রত্যাশা করছে। এ লক্ষ্যে গণতন্ত্র, রাজনৈতিক ক্ষমতার জবাবদিহিতা এবং আইনের শাসনের মতো অভিন্ন নীতির ভিত্তিতেই বাংলাদেশে তাদের পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে ইজাবস জানান, মিশনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা বাহিনী, সেনাবাহিনী ও পুলিশের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। কিছু এলাকা তুলনামূলকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হলেও রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। তিনি বলেন, নির্বাচনী নিরাপত্তা সম্পর্কে প্রাপ্ত তথ্য ইতিবাচক এবং সাধারণভাবে নির্বাচনের পরিবেশ নিরাপদ মনে হচ্ছে।

নারী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণের গুরুত্ব উল্লেখ করে ইভার্স ইজাবস বলেন, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং যৌক্তিক বিষয়। নির্বাচনকে প্রকৃত অর্থে অংশগ্রহণমূলক করতে সব সম্প্রদায়, সংখ্যালঘু এবং বিশেষ করে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি আরও জানান, দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষকরা ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন জেলা ও অঞ্চলে মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন। তারা প্রার্থী, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। এসব আলোচনার ভিত্তিতে নির্বাচনী পরিবেশকে ইতিবাচক বলে মনে হচ্ছে। অনেকেই এটিকে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচনের ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখছেন।

ইজাবস বলেন, নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এবং প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করা হবে। তিনি জানান, নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের কাজ হলো নিরপেক্ষ থাকা এবং কোনো রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় জড়িত না হওয়া। নির্বাচন শেষে প্রায় দুই মাস পর প্রকাশিত চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন বিষয়ে সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

তিনি আশাপ্রকাশ করেন, বাংলাদেশের জনগণ ভোটের মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করবে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন সর্বদা নিরপেক্ষ এবং স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার ওপর মনোযোগ দিচ্ছে। নির্বাচনের দিন জনগণের অংশগ্রহণ ও সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য সকল পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম চালানো হবে।

ইজাবসের মন্তব্যের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশে নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ নিশ্চিত করতে গুরুত্ব দিচ্ছে। এই পর্যবেক্ষণ মিশন বাংলাদেশের নির্বাচনের ওপর আন্তর্জাতিক মনোযোগ বৃদ্ধি করবে এবং ভোটপ্রক্রিয়ার গ্রহণযোগ্যতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর