বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টা পর্যন্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জরুরি সমন্বয় সেল থেকে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। সমন্বয় সেলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সারাদেশের বিভিন্ন প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটেছে ১৩৫টি কেন্দ্রে। দেশের সব কেন্দ্রের মধ্যে ৪৮৬টি ভোট কেন্দ্রে কোনো না কোনো রকম বিশৃঙ্খলা দেখা গেছে।
পাশাপাশি, ৬ জন প্রার্থীকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। ভোট দিতে বাধা দেওয়া হয়েছে ১৮টি কেন্দ্রে। নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের অবহেলার কারণে ৩৩টি কেন্দ্রে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। অগ্নিসংযোগের ঘটনা ৪টি কেন্দ্রে ঘটেছে। ব্যালট বাক্স ছিনতাই হয়েছে তিনটি কেন্দ্রে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জরুরি সমন্বয় সেলের তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। বিশৃঙ্খলার ঘটনায় জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পোলিং এজেন্ট এবং ভোটারদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়েছে।
এর ফলে ভোটগ্রহণে অংশ নেওয়া ভোটারদের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসন পর্যবেক্ষণ চালাচ্ছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সংঘর্ষ ও জালভোটের খবর পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
বিভিন্ন এলাকায় ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে নিরবিচ্ছিন্নভাবে অংশগ্রহণ করছেন। তবে কিছু কেন্দ্রে সংঘর্ষ ও জালভোটের কারণে ভোট প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এসব পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে এবং ভবিষ্যতে সম্ভাব্য অনিয়ম এড়াতে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে।
শরীয়ত, প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন যৌথভাবে সুষ্ঠু ভোট নিশ্চিত করতে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ভোটারদের সুরক্ষা এবং নির্বাচনের স্বচ্ছতা রক্ষায় প্রতিটি কেন্দ্রে পর্যবেক্ষণ জোরদার করা হয়েছে।