নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পড়াবেন। এ তথ্য জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশিদ শনিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে। তিনি জানান, রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আওয়ামী লীগ আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত মো. সাহাবুদ্দিন।
শেখ আব্দুর রশিদ বলেন, নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সম্পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী, শপথ গ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা রাষ্ট্রপতির উপস্থিতিতে সম্পন্ন হবে। তিনি আরও জানান, শপথ অনুষ্ঠানে কম-বেশি এক হাজার অতিথিকে দাওয়াত দেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তারা ছাড়াও রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, নতুন মন্ত্রিসভার গঠন দেশের উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শপথ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সরকার জনগণের আস্থা ও দায়িত্ব পালনের প্রতিশ্রুতি পুনঃনিশ্চিত করবে। তিনি বলেন, “এটি শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের দায়িত্ব পালনের প্রতীক। রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নতুন সদস্যরা দেশের জনগণের প্রতি তাদের দায়িত্ব পালন শুরু করবেন।”
শেখ আব্দুর রশিদ আরও উল্লেখ করেন, শপথ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি সব দিক বিবেচনা করে করা হয়েছে। অনুষ্ঠানটি সুশৃঙ্খল ও নিরাপদভাবে সম্পন্ন করার জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোর করা হয়েছে। শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানটি রাষ্ট্রপতি ভবনে অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিদের সুবিধার্থে সকল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণের পর সরকারের কার্যক্রম দ্রুতগতিতে শুরু হবে। মন্ত্রিসভার সদস্যরা তাত্ক্ষণিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করে বিভিন্ন বিভাগের কার্যক্রম তদারকি করবেন। এছাড়া জনগণকে সরকারি পরিষেবার মান উন্নয়নে মনোযোগী হওয়া হবে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, “নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া। এটি দেশের নীতি নির্ধারণ ও পরিকল্পনার ক্ষেত্রে নতুন দিকনির্দেশনা প্রদান করবে। সকল মন্ত্রী জনগণের কল্যাণে কাজ করবে এবং দেশের উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।”
তিনি সাংবাদিকদের অবগত করেন, শপথ অনুষ্ঠানটি দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। অনুষ্ঠানে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সকল প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। শপথ গ্রহণের মাধ্যমে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা সরকারি দায়িত্ব গ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন।
শেখ আব্দুর রশিদ বলেন, শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রতীক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। এটি নতুন সরকারের কার্যক্রমের সূচনা হিসেবে গণ্য হবে এবং জনগণের আস্থা পুনঃনিশ্চিত করবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, শপথ গ্রহণের পর নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা দায়িত্ব পালনে সফল হবেন এবং দেশের উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে অবদান রাখবেন।