ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরলো বঙ্গবন্ধুর একক ছবি, যুক্ত হলো জিন্নাহ ও জুলাই অভ্যুত্থান মমেকের ৩য় তলায় শিশু ওয়ার্ডে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস শিল্পে গ্যাস সরবরাহ মঙ্গলবার থেকেই স্বাভাবিক হওয়ার আশা প্রধানমন্ত্রীর ব্যাংকে কোটি টাকার হিসাব ছাড়াল ১ লাখ ৪১ হাজার কাশফুল শুধু সৌন্দর্য নয়, অনেকের জীবিকাও বটে তাড়াশে গোয়ালঘরের তালা ভেঙে ৮টি গরু চুরি, নিঃস্ব কৃষক পরিবার ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ১৭৩৩ জন ঢাকার দুই সিটিতে জামায়াতের অনানুষ্ঠানিক মেয়র প্রার্থী ঘোষণা চারবার গুলিবিদ্ধ ও তিনবার কারাবরণ: ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আলোচনায় ইশরাক অঙ্গ পাচার চক্রের হাত থেকে ফিরল লোহাগাড়ার রায়হান

ত্রয়োদশ সংসদের এমপিদের দায়-ঋণ ১১ হাজার কোটি টাকার বেশি: টিআইবি


  • আপলোড সময় : সোমবার ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৫:৫৬ পিএম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সদস্যদের মোট দায় বা ঋণ ১১ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকা বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া ও হলফনামাভিত্তিক পর্যবেক্ষণ’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করে এই তথ্য জানানো হয়।

টিআইবির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্যদের মোট দায় বা ঋণ ছিল ১ হাজার ১০৭ কোটি টাকা। দশম সংসদে তা বেড়ে ৩ হাজার ৬২৪ কোটি টাকা, একাদশ সংসদে ৬ হাজার ৪২৩ কোটি টাকা এবং দ্বাদশ সংসদে ১০ হাজার ৩৯২ কোটি টাকা। সর্বশেষ ত্রয়োদশ সংসদে এই অঙ্ক আরও বেড়ে ১১ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ত্রয়োদশ সংসদের প্রায় অর্ধেক সংসদ সদস্যই দায় বা ঋণগ্রস্ত। দলভিত্তিক হিসেবে বিএনপির সংসদ সদস্যদের মধ্যে ৬২.০২ শতাংশ এবং জামায়াতে ইসলামী পার্টির ক্ষেত্রে এই হার ১৫.৯৪ শতাংশ।

সংসদ ভিত্তিক তুলনায় দেখা যায়, দায় ও ঋণগ্রস্ত সংসদ সদস্যের হার নবম সংসদে ছিল ৫৩.৬৮ শতাংশ, দশম সংসদে ৫৬.০১ শতাংশ, একাদশ সংসদে ৫১.৩০ শতাংশ, দ্বাদশ সংসদে ৫২ শতাংশ এবং ত্রয়োদশ সংসদে তা কিছুটা কমে ৪৯.৮৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

নির্বাচনে ৬৭.৩৪ শতাংশ নির্বাচিত সদস্যদের বার্ষিক আয় ১০ লাখ টাকার বেশি। এছাড়া ৪৮ জনের বার্ষিক আয় কোটি টাকার বেশি।

প্রতিবেদনে টিআইবি জানিয়েছে, নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রায় ৯৯ শতাংশ প্রার্থী কোনো না কোনোভাবে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। এর মধ্যে মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠানের তথ্যবিহীন প্রচারণা সামগ্রী ব্যবহার, যানবাহনসহ মিছিল, মশাল মিছিল ও শো-ডাউন, পাঁচ জনের বেশি সমর্থক নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া ইত্যাদি অনিয়ম চিহ্নিত করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিপক্ষ প্রার্থীর পোস্টার, ব্যানার বা ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা কিংবা নষ্ট করার ঘটনাও পর্যবেক্ষণে এসেছে।

টিআইবি বলেছে, আচরণবিধির মোট ৫৮টি বিষয়ে দলভিত্তিক প্রার্থীদের লঙ্ঘনের হার উল্লেখযোগ্য। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যেই এ ধরনের প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর