ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনার চেষ্টা করলেও কোনো সমাধানের পথ খুঁজে পারেনি। নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, শেষ ২৪ ঘণ্টায় তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, কোনো আলোচনার সুযোগ নেই। সূত্র: আল জাজিরা।
এরপরই ইসরায়েলি সীমান্ত থেকে সংঘাত শুরু হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যেই ইসরায়েলের আকাশসীমা বন্ধ করা হয়েছে এবং দেশজুড়ে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। নিরাপত্তা কর্মকর্তারা পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।
এর আগে ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র সফরে এসে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন। কূটনৈতিক প্রচেষ্টা সংঘাত এড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে হলেও এখন পরিস্থিতি আরও উত্তেজক এবং সংঘর্ষ অনিবার্য বলে মনে হচ্ছে।
উল্লেখ্য, শনিবার সকালে ইসরায়েল ইরানের রাজধানী তেহরানে হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনার পর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়ে গেছে। তেহরানসহ ইরানের অন্যান্য শহরে বিস্ফোরণের শব্দ ও ধোঁয়ার কুণ্ডলি দেখা গেছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী হামলার দায় স্বীকার করেছে এবং জানিয়েছে, তারা নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে অভিযান পরিচালনা করছে।
বিশ্ববাসী ইতোমধ্যেই তেহরান ও ইসরায়েলের উত্তেজনার দিকে নজর দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সামরিক সংঘর্ষ মধ্যপ্রাচ্য ও বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উভয় পক্ষকে শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানিয়েছে।
নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, ইতোমধ্যেই ইসরায়েলি আকাশসীমা বন্ধ এবং সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। দেশে সম্ভাব্য প্রতিশোধমূলক হামলা মোকাবিলায় ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তেহরানসহ ইরানের শহরগুলোতে বিস্ফোরণ ও ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
উত্তেজনা আরও বাড়ার সম্ভাবনা থাকায় আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে নজরদারি করছেন। কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় এখন সামরিক পদক্ষেপই প্রধান নিয়ন্ত্রণের মাধ্যম হিসেবে দেখা যাচ্ছে।