ইরানের তেহরান, শিরাজ এবং তাবরিজে একযোগে বিস্তৃত হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। ইসরায়েলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা তিনটি শহরে বিভিন্ন অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে একই সঙ্গে হামলা শুরু করেছে।
ইরানের রাজধানী তেহরান দেশের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত। তাবরিজ দেশটির চতুর্থ বৃহত্তম শহর এবং উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত। তাবরিজ তুরস্ক, আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের সীমানার কাছে। শিরাজ ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর।
হামলার কারণ ও প্রকৃত বিস্তৃতি বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি। ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, স্থানীয় সময় অনুযায়ী তিনটি শহরে আকাশসীমা এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে আক্রমণ চালানো হয়েছে।
আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা ক্রমবর্ধমান হয়েছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সামরিক অভিযান এবং ইরানের পাল্টা প্রতিরক্ষা কার্যক্রম নিয়ে আঞ্চলিক সংঘর্ষের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
ইরানের তেহরান, শিরাজ ও তাবরিজে হামলার ফলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্ত করা হয়েছে। শহরগুলোতে সেনা এবং নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয় নাগরিকরা আতঙ্কে রয়েছেন, চলাচল সীমিত করা হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাঘাটে সেনা অবস্থান দৃশ্যমান।
আঞ্চলিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরও দীর্ঘ এবং জটিল করতে পারে। আগের সংঘর্ষ ও বিমান হামলার অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, শহরে সাধারণ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। ইরান ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক উত্তেজনা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়েরও নজরে এসেছে। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, এ ধরনের হামলা স্থায়ী সংঘাতের সূচনা হতে পারে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে নষ্ট করতে পারে।
আকাশজমিন / আরআর