প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও দাবি করেন, যুদ্ধের কারণে বাস্তুচ্যুত লেবাননের বাসিন্দাদের ওই অঞ্চলে ফিরে আসতে দেওয়া হবে না। এছাড়া, সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে বিশেষ অভিযান চালানোর সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেন তিনি।
এই ঘোষণা এসেছে হিজবুল্লাহর সঙ্গে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে। লিতানি নদী লেবাননের দীর্ঘতম অভ্যন্তরীণ নদী এবং বেকা উপত্যকা থেকে উৎপন্ন হয়ে ভূমধ্যসাগরে পতিত হয়। এই নদী এবং নদীর পার্শ্ববর্তী অঞ্চল কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ইসরায়েলের এই পরিকল্পনা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল দখল করলে সেখানে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিপন্ন হতে পারে। সশস্ত্র সংঘাত চলাকালে নাগরিকদের নিরাপত্তা এবং স্থানীয় জনসংখ্যার অধিকার সংরক্ষণ করা বড় চ্যালেঞ্জ হবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল দখল ইসরায়েলের নিরাপত্তা চাহিদা মেটাতে পারে, কিন্তু এটি দীর্ঘমেয়াদি ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি করবে। হিজবুল্লাহ এবং ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাত, স্থানীয় জনসংখ্যার বাস্তুচ্যুত এবং নিরাপত্তা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি নিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে তীব্র সমালোচনা হতে পারে।
এছাড়া, লেবাননের রাজনৈতিক ও সামরিক প্রস্তুতি, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক, মানবাধিকার সংস্থা এবং প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলো এই নতুন পরিস্থিতির প্রতি সতর্ক নজর রাখছে।