ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরলো বঙ্গবন্ধুর একক ছবি, যুক্ত হলো জিন্নাহ ও জুলাই অভ্যুত্থান মমেকের ৩য় তলায় শিশু ওয়ার্ডে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস শিল্পে গ্যাস সরবরাহ মঙ্গলবার থেকেই স্বাভাবিক হওয়ার আশা প্রধানমন্ত্রীর ব্যাংকে কোটি টাকার হিসাব ছাড়াল ১ লাখ ৪১ হাজার কাশফুল শুধু সৌন্দর্য নয়, অনেকের জীবিকাও বটে তাড়াশে গোয়ালঘরের তালা ভেঙে ৮টি গরু চুরি, নিঃস্ব কৃষক পরিবার ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ১৭৩৩ জন ঢাকার দুই সিটিতে জামায়াতের অনানুষ্ঠানিক মেয়র প্রার্থী ঘোষণা চারবার গুলিবিদ্ধ ও তিনবার কারাবরণ: ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আলোচনায় ইশরাক অঙ্গ পাচার চক্রের হাত থেকে ফিরল লোহাগাড়ার রায়হান

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল ‘স্থায়ীভাবে’ দখল করতে চায় ইসরায়েল


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ৩১ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৭:০১ পিএম

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল ইসরায়েলের স্থায়ী দখলের লক্ষ্যবস্তু হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) তিনি এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) লেবাননের মধ্যে একটি ‘নিরাপত্তা অঞ্চল’ তৈরি করবে এবং লিতানি নদী পর্যন্ত পুরো এলাকায় পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখবে।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও দাবি করেন, যুদ্ধের কারণে বাস্তুচ্যুত লেবাননের বাসিন্দাদের ওই অঞ্চলে ফিরে আসতে দেওয়া হবে না। এছাড়া, সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে বিশেষ অভিযান চালানোর সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেন তিনি।

এই ঘোষণা এসেছে হিজবুল্লাহর সঙ্গে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে। লিতানি নদী লেবাননের দীর্ঘতম অভ্যন্তরীণ নদী এবং বেকা উপত্যকা থেকে উৎপন্ন হয়ে ভূমধ্যসাগরে পতিত হয়। এই নদী এবং নদীর পার্শ্ববর্তী অঞ্চল কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ইসরায়েলের এই পরিকল্পনা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল দখল করলে সেখানে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিপন্ন হতে পারে। সশস্ত্র সংঘাত চলাকালে নাগরিকদের নিরাপত্তা এবং স্থানীয় জনসংখ্যার অধিকার সংরক্ষণ করা বড় চ্যালেঞ্জ হবে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল দখল ইসরায়েলের নিরাপত্তা চাহিদা মেটাতে পারে, কিন্তু এটি দীর্ঘমেয়াদি ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি করবে। হিজবুল্লাহ এবং ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাত, স্থানীয় জনসংখ্যার বাস্তুচ্যুত এবং নিরাপত্তা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি নিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে তীব্র সমালোচনা হতে পারে।

এছাড়া, লেবাননের রাজনৈতিক ও সামরিক প্রস্তুতি, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক, মানবাধিকার সংস্থা এবং প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলো এই নতুন পরিস্থিতির প্রতি সতর্ক নজর রাখছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর