ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি অফিসে ‘স্যার’ বলা বাধ্যতামূলক করা খুবই খারাপ: তথ্য উপদেষ্টা জুলাই গণহত্যায় ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড ইউপি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার বিষয়ে সরকার কিছুই জানে না: মীর শাহে আলম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ওবায়দুল কাদের ও আরাফাতসহ ৭ জনের রায় আজ কেন ভারত থেকে টনে টনে ইলিশ আসছে বাংলাদেশে? যুদ্ধ শেষে ইরানের তেলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ইঙ্গিত ট্রাম্পের ৫০ পেরিয়ে পুনরায় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন জেমিমা গোল্ডস্মিথ গ্রিসে নৌকা ডুবে ১ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু, নিখোঁজ ২৫ আজ মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ সৌদির তায়েফসহ ৩ শহরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা, আহত ১৩

সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী গোলাম সারোয়ার মিলন আর নেই


  • আপলোড সময় : রবিবার ২৬ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৪:১৩ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী, মানিকগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ গোলাম সারোয়ার মিলন আর নেই। রোববার (২৬ এপ্রিল) ভোর রাতে রাজধানীর নিজ বাসভবনে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ভোরে নিজ বাসভবনে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে দ্রুত রাজধানীর পপুলার হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

গোলাম সারোয়ার মিলন বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতি ও জাতীয় রাজনীতির পরিচিত একটি নাম। ১৯৫৭ সালের ৬ নভেম্বর পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডে তাঁর জন্ম। তাঁর পিতা মোতাহার হোসেন ছিলেন সরকারি চাকরিজীবী এবং মাতা হাসিনা বিশ্বাস।

ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন গোলাম সারোয়ার মিলন। ১৯৮১-৮২ মেয়াদে তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতা হিসেবে তিনি তখন ব্যাপক পরিচিতি অর্জন করেন। এর আগে তিনি ভাসানী ন্যাপ-সমর্থিত বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।

পরবর্তী সময়ে তিনি এরশাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন এবং কারাবরণও করেন। ১৯৮৬ সালের ১ জানুয়ারি তিনি জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন এবং দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

তৃতীয় ও চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (১৯৮৬ ও ১৯৮৮) জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে মানিকগঞ্জ-৪ আসন থেকে টানা দুইবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৮৬-৮৭ মেয়াদে তিনি তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মন্ত্রিসভায় শিক্ষা উপমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি মানিকগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

রাজনৈতিক জীবনে বিভিন্ন সময়ে তিনি একাধিক রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। জীবনের শেষ পর্যায়ে তিনি বাংলাদেশ জনতা পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ফাতেমা সারোয়ার, ছেলে সাবায়ের সারোয়ার এবং মেয়ে তানজিয়া সারোয়ারসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও রাজনৈতিক সহযোদ্ধা রেখে গেছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রোববার বাদ জোহর মানিকগঞ্জের সিংগাইর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তাঁর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে ঢাকায় দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাঁকে দাফন করা হবে।



এ সম্পর্কিত আরো খবর