ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞার প্রভাব নিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কিছুটা বেড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯২ দশমিক ৪৪ ডলারে ও যুক্তরাষ্ট্রের ডব্লিউটিআইয়ের দাম ৮৫ দশমিক ৩৮ ডলারে উঠেছে।
বিশ্লেষণ অনুযায়ী, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আপাতত সরবরাহ বা দামে তাত্ক্ষণিক বড় ধাক্কা দেবে না, কারণ ওয়াশিংটন সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে বাণিজ্য ছিন্ন করার সময় দিয়েছে। তবে ইরান প্রতিক্রিয়া হিসেবে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বাধা দিলে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হয়ে দাম দ্রুত বেড়ে যেতে পারে। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী সামরিক পদক্ষেপের বদলে অর্থনৈতিক চাপকে বেশি প্রাধান্য দেওয়ায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহে তাৎক্ষণিক বড় ব্যাঘাতের ’’’’’’’’’’’’আশঙ্কা কিছুটা কমেছে। তবে হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা এখনো বিদ্যমান। সম্প্রতি ওমানের কাছে একটি তেলবাহী ট্যাংকার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত তেলের মজুত কমে ১৯৮২ সালের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের কারণে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল ব্যাপকভাবে কমে গেছে। পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান কেপলারের তথ্যমতে, হঠাৎ করেই এই প্রণালি দিয়ে পারাপার হওয়া পণ্যবাহী জাহাজের সংখ্যা মারাত্মকভাবে হ্রাস পেয়েছে। তবে মানবিক সহায়তাবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক পথ দিয়ে স্বাভাবিক সময়ে বিশ্বের বিপুল পরিমাণ তেল ও গ্যাস পরিবাহিত হয়। ফলে জাহাজ চলাচল আরও কমে গেলে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের সংকট তৈরির আশঙ্কা রয়েছে।