ক্রীড়া ডেস্ক
সংযুক্ত
আরব আমিরাতে আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়েকে নিয়ে
অনুষ্ঠেয় ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের জন্য ১৬ সদস্যের
দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আসন্ন এই
প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব দেবেন
লিটন কুমার দাস। সহ-অধিনায়কের
দায়িত্ব পেয়েছেন তাওহীদ হৃদয়। আগামী ১৭ অক্টোবর জিম্বাবুয়ের
বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু
করবে বাংলাদেশ।
শনিবার
(১০ অক্টোবর) বিসিবি ঘোষিত এই দলে অভিজ্ঞ
ও তরুণ ক্রিকেটারদের সমন্বয়
রাখা হয়েছে। ব্যাটিং, বোলিং ও অলরাউন্ড বিভাগে
একাধিক বিকল্প নিয়ে দল সাজানো
হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুই
ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে প্রতিযোগিতার ম্যাচগুলো।
আবুধাবিতে একটি ম্যাচ খেলার
পর শারজায় আফগানিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।
ঘোষিত
স্কোয়াডে অধিনায়ক লিটন কুমার দাস
ও সহ-অধিনায়ক তাওহীদ
হৃদয়ের সঙ্গে রয়েছেন তানজিদ হাসান, সাইফ হাসান, সৌম্য
সরকার, নাজমুল হোসেন শান্ত এবং মেহেদী হাসান
মিরাজ। এ ছাড়া দলে
জায়গা পেয়েছেন মুসাদ্দেক হোসেন সৈকত, কাজী নুরুল হাসান
সোহান, রিশাদ হোসেন ও তানভীর ইসলাম।
পেস
বোলিং বিভাগে বাংলাদেশের ভরসা থাকছেন তাসকিন
আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, হাসান মাহমুদ ও শরিফুল ইসলাম।
পাশাপাশি স্কোয়াডে রয়েছেন অলিস আল ইসলাম।
ঘোষিত ১৬ সদস্যের এই
দল নিয়ে ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টে
প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে বাংলাদেশ।
সূচি
অনুযায়ী, ১৭ অক্টোবর আবুধাবির
জেডসিএস ভেন্যুতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ। ১৯ অক্টোবর একই
ভেন্যুতে মুখোমুখি হবে আফগানিস্তান ও
জিম্বাবুয়ে। এরপর ২১ অক্টোবর
শারজার এসসিএস ভেন্যুতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।
প্রাথমিক
সূচিতে ২৩ অক্টোবর ফাইনাল
ম্যাচের দিন নির্ধারণ করা
হয়েছে। শারজার এসসিএস ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে শিরোপা নির্ধারণী
ম্যাচ। প্রতিযোগিতার সব ম্যাচ বাংলাদেশ
সময় বিকেল সাড়ে ৩টায় শুরু
হওয়ার কথা রয়েছে।
এই
ত্রিদেশীয় সিরিজ বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের জন্য নিজেদের সামর্থ্য
যাচাইয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।
আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে
ম্যাচগুলোতে দলীয় সমন্বয়, ব্যাটিংয়ের
ধারাবাহিকতা এবং বোলিংয়ের কার্যকারিতা
গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
বিশেষ করে সীমিত ওভারের
ক্রিকেটে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স ধরে রাখা বাংলাদেশের
জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে।
ঘোষিত
সূচি অনুযায়ী, গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশ দুটি ম্যাচ খেলবে।
প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ে এবং পরের ম্যাচে
আফগানিস্তানের মুখোমুখি হবে দলটি। এই
দুই ম্যাচের ফল ও পারফরম্যান্সের
ভিত্তিতে ফাইনাল ঘিরে বাংলাদেশের প্রস্তুতি
ও প্রত্যাশা আরও স্পষ্ট হবে।
২৩ অক্টোবরের ফাইনালে কোন দুই দল
খেলবে, তা নির্ধারিত হবে
টুর্নামেন্টের প্রতিযোগিতামূলক লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে।
আকাশজমিন
/ আরআর