ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার ৪৭টি পূজামণ্ডপে মোট ২৮ দশমিক ২ টন সরকারি চাল বিতরণ করা হয়েছে। পূজামণ্ডপে আগত ভক্ত ও দর্শনার্থীদের আপ্যায়ন এবং প্রসাদ বিতরণের সুবিধার্থে প্রতিটি মণ্ডপের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৬০০ কেজি করে চাল।
শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১১টায় কাঁঠালিয়া উপজেলা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পূজামণ্ডপগুলোর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে এ চাল তুলে দেওয়া হয়। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দুর্গোৎসব উদ্যাপনকে আনন্দমুখর ও উৎসবমুখর করতে এ সরকারি খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে এ সহায়তা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পূজামণ্ডপে আগত ভক্ত ও দর্শনার্থীদের আপ্যায়ন এবং প্রসাদ বিতরণের কার্যক্রম সহজ করাই এ উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য। সরকারি এ সহায়তার মাধ্যমে পূজামণ্ডপগুলোর আয়োজনে সহযোগিতা করা হবে।
চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কাঁঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মকবুল হোসেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কাঁঠালিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হারান চন্দ্র পাল, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. জালালুর রহমান আকন, সাধারণ সম্পাদক মো. আখতার হোসেন নিজাম মীরবহর, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. জাকির হোসেন কবির হাওলাদার, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শাহিন হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক মো. হাছিব ভুট্টো আকন এবং সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. নুরুজ্জামান বাদল।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. যোবায়ের হোসেন, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম, স্থানীয় পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক এবং উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
সরকারি চাল গ্রহণের পর উপজেলার পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ সন্তোষ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে খাদ্যসহায়তা বরাদ্দ দেওয়ায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তাঁরা।
উল্লেখ্য, উপজেলার ৪৭টি পূজামণ্ডপে ৬০০ কেজি করে চাল বিতরণে মোট ২৮ হাজার ২০০ কেজি বা ২৮ দশমিক ২ টন সরকারি চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ সহায়তা আসন্ন দুর্গোৎসবের আয়োজন ও দর্শনার্থীদের আপ্যায়নে কাজে লাগবে বলে আশা করা হচ্ছে।