ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬,  ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মিস্টার মোদি, আমরা আপনাকে ঘিরে ফেলছি, পিছু হটব না: তোপ রাহুল গান্ধীর জনস্রোত দেখে আতঙ্কিত মোদি সরকার: আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক সঞ্জয় কাপুর এক টাকার মাস্টার লুৎফর রহমান আটটি যুদ্ধ থামিয়েও নোবেল পেলাম না: ট্রাম্পের তীব্র ক্ষোভ আটকের পরও অনড় ইমরান খান, প্রিজন ভ্যান থেকেই পাঠালেন বার্তা ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা ৩০০ ছুঁই ছুঁই, ২৪ ঘণ্টায় ৪ জনের মৃত্যু আটকের পর নিখোঁজ সিজেপির শীর্ষ তিন নেতা: তীব্র উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় পরিবার ও দল আগামী সোমবার দিল্লিতে বিরোধী 'ইন্ডিয়া' জোটের বিশাল বিক্ষোভের ডাক! ভারতে চার সাবেক মুখ্যমন্ত্রীসহ আটক তিন হাজার ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৮ জনের মৃত্যু, নতুন রোগী ১০৮৬

বন্যহাতিকে ঘিরে পর্যটন বিকাশের পরিকল্পনা সরকারের


  • আপলোড সময় : শনিবার ১০ অক্টোবর, ২০২৬ সময় : ৬:২৮ পিএম

নালিতাবাড়ী (শেরপুর) প্রতিনিধি 

বন্যহাতি ও মানুষের সংঘাত কমানো, হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ বাড়ানো এবং বন্যহাতিকে ঘিরে পর্যটনশিল্পের বিকাশে উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আব্দুল আওয়াল মিন্টু এমপি।


শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার মধুটিলা ইকোপার্কে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। মানুষ ও বন্যহাতির মধ্যে সংঘাত নিরসনে কাজ করা এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের সদস্য, গণমাধ্যমকর্মী এবং হাতি সংরক্ষণে নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবকেরা সভায় অংশ নেন।


মন্ত্রী বলেন, বন্যহাতি ও মানুষের সহাবস্থান নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি বন্যহাতি সংরক্ষণেও গুরুত্ব দিতে হবে। এ লক্ষ্যে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণের পরিমাণ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।


তিনি আরও বলেন, বন্যহাতিকে কেন্দ্র করে পর্যটনের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি মধুটিলা ইকোপার্কের উন্নয়ন এবং শেরপুর জেলার পর্যটন খাতকে এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। পরিকল্পিত উন্নয়নের মাধ্যমে এ অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।


শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী ফাহিম চৌধুরী, প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসাইন চৌধুরী, বন সংরক্ষক সানাউল্লাহ পাটোয়ারি, জেলা পুলিশ সুপার এ কে এম জহুরুল ইসলাম এবং বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী নুরুল করিম।


সভা শেষে বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ করেন মন্ত্রী। এ সময় হাতি তাড়ানোর কাজে ব্যবহারের জন্য এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের সদস্যদের হাতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম তুলে দেওয়া হয়।


অনুষ্ঠানে নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল মালেক, বন বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


এর আগে সভায় যোগ দেওয়ার আগে মন্ত্রী বুরুঙ্গা পাহাড়ের ওসমানের খোল এলাকায় বন্যহাতির চলাচলের পথ এবং হাতির ব্যবহৃত একটি প্রাকৃতিক জলাধার পরিদর্শন করেন। এ সময় হাতির আবাসস্থল ও চলাচলের পথ সংরক্ষণের গুরুত্বও তুলে ধরা হয়।


এ সম্পর্কিত আরো খবর