নিপ্পন ফাউন্ডেশন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের অনারারি চেয়ারম্যান ইয়োহেই সাসাকাওয়ার (Yohei Sasakawa) বিশেষ আমন্ত্রণে এক উচ্চপর্যায়ের নৈশভোজে অংশ নিয়েছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ সোমবার জাপানের রাজধানী টোকিওর মেইজি কিনেনকানের ঐতিহ্যবাহী 'হানাগাসুমি রেস্তোরাঁয়' (Hanagasumi Restaurant, Meiji Kinenkan) এই সৌজন্য নৈশভোজ অনুষ্ঠিত হয়।
অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর বিগত সেপ্টেম্বর মাসে ঢাকা সফরকালে নিপ্পন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইয়োহেই সাসাকাওয়ার সাথে অনুষ্ঠিত ফলপ্রসূ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের স্মৃতি স্মরণ করেন। একই সাথে তিনি বাংলাদেশে মানবিক সহায়তা, শিক্ষা ও জনস্বাস্থ্য খাতের সার্বিক উন্নয়নে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে ইয়োহেই সাসাকাওয়ার অসামান্য ও নিরবচ্ছিন্ন অবদানের জন্য বিশেষ ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন৷

নৈশভোজের এই বিশেষ বৈঠকে বাংলাদেশে সংক্রামক রোগ অত্যন্ত কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণে একটি অত্যাধুনিক ভ্যাকসিন (টিকা) উৎপাদন কারখানা স্থাপনে নিপ্পন ফাউন্ডেশনের সম্ভাব্য কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতা প্রদানের বিষয় নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে আলোচনা করা হয়। উল্লেখ্য, গত সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশ সফরকালে ইয়োহেই সাসাকাওয়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে তাঁর কার্যালয়ে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হয়েছিলেন এবং বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের আধুনিকায়নে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছিলেন। আজকের এই আন্তর্জাতিক নৈশভোজে নিপ্পন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক তাকাশি আরিকাওয়াসহ (Takashi Arikawa) সংস্থাটির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ এবং জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের কূটনৈতিক প্রতিনিধিগণ অংশ নেন।

নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর সম্মানিত সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. শাকিরুল ইসলাম খান এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার-২ কামরুল ইসলামসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাবৃন্দ।