ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরলো বঙ্গবন্ধুর একক ছবি, যুক্ত হলো জিন্নাহ ও জুলাই অভ্যুত্থান মমেকের ৩য় তলায় শিশু ওয়ার্ডে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস শিল্পে গ্যাস সরবরাহ মঙ্গলবার থেকেই স্বাভাবিক হওয়ার আশা প্রধানমন্ত্রীর ব্যাংকে কোটি টাকার হিসাব ছাড়াল ১ লাখ ৪১ হাজার কাশফুল শুধু সৌন্দর্য নয়, অনেকের জীবিকাও বটে তাড়াশে গোয়ালঘরের তালা ভেঙে ৮টি গরু চুরি, নিঃস্ব কৃষক পরিবার ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ১৭৩৩ জন ঢাকার দুই সিটিতে জামায়াতের অনানুষ্ঠানিক মেয়র প্রার্থী ঘোষণা চারবার গুলিবিদ্ধ ও তিনবার কারাবরণ: ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আলোচনায় ইশরাক অঙ্গ পাচার চক্রের হাত থেকে ফিরল লোহাগাড়ার রায়হান

আরেকটি এফ-৩৫ ধ্বংস, ইসরাইলের জন্য অন্ধকার পূর্বাভাস


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ১৭ জুন, ২০২৫ সময় : ৭:১৫ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী আবারও তাদের সক্ষমতার এক প্রমাণ দিলো। মঙ্গলবার তাবরিজ শহরের আকাশে ভূপাতিত হয়েছে আরও একটি ইসরাইলি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান। বিশ্বের সর্বাধুনিক ও স্টেলথ প্রযুক্তিসম্পন্ন এ যুদ্ধবিমানকে গর্ব করে ‘অদৃশ্য ঘাতক বলে থাকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। এটি ছিল ইরানের হাতে ধ্বংস হওয়া চতুর্থ এফ-৩৫, যা এক নতুন সামরিক বাস্তবতার দিকে ইঙ্গিত দিচ্ছে। খবর মেহের নিউজ।

 

তাবরিজে এফ-৩৫ ভূপাতিত হওয়ার অর্থ হচ্ছে- ইরান এখন শুধু কৌশলগতভাবেই নয়, প্রযুক্তিগতভাবেও যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের বিরুদ্ধে একই স্তরে প্রতিযোগিতা করছে। রাশিয়ান এস-৩০০ ও দেশীয়ভাবে উন্নত বোয়ার্দ-৩৭৩ সিস্টেমের পাশাপাশি ‘খোরামশাহর ও ‘সাইয়েদ আল-শোহাদা রাডার সিস্টেম ইরানকে এমন এক প্রতিরক্ষা ব্যূহ দিয়েছে, যা ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের ‘নো-ফ্লাই ভাবমূর্তিকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে।

 

যুদ্ধবাজ ইসরাইল দীর্ঘদিন ধরে এফ-৩৫-কে মধ্যপ্রাচ্যে তাদের ফাইটার জেট শক্তির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এ যুদ্ধবিমানগুলো মূলত মার্কিন প্রযুক্তির নির্যাস। যার মূল্য ইউনিট প্রতি ৮০-১০০ মিলিয়ন ডলার। এমনই শক্তিশালী স্টেলথ জেট ভূপাতিত হওয়া মানেই শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতি নয়, কৌশলগত এক কঠিন বার্তাও।

 

ইরানের তরফ থেকে এমন সুনির্দিষ্টভাবে এফ-৩৫ টার্গেট করা একটি সামরিক আত্মবিশ্বাসেরও পরিচায়ক, যা আগে এতটা স্পষ্ট ছিল না। এটি একটি অঘোষিত বার্তা ইরান যদি চায়, ইসরাইলের আকাশও নিরাপদ নয়।

 এদিকে এখন পর্যন্ত এই চতুর্থ এফ-৩৫ ধ্বংসের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরাইলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া আসেনি। তবে অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, এ ধরনের ঘটনাগুলোতে প্রথমে অস্বীকার, পরে ধীরে ধীরে ‘গোয়েন্দা তথ্য ভুল বা ‘দুর্ঘটনা বলে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়।

 তবে বাস্তবতা হচ্ছে- যুদ্ধক্ষেত্রে ইরান এখন শুধু প্রতিরক্ষা নয়, আক্রমণ-প্রতিরোধের ভারসাম্য রক্ষা করতে পারছে। এর অর্থ দাঁড়ায়- মধ্যপ্রাচ্যে এক নতুন সামরিক ভারসাম্য গড়ে উঠছে, যার নিয়ন্ত্রণ আর কেবল ওয়াশিংটন বা তেলআবিবের হাতে থাকবে না।

 

এই যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার ঘটনাটি ইরানের সাময়িক একটি সফলতা নয়; এটি এক কূটনৈতিক প্রতিচ্ছবিও বটে। এটি বোঝায় যে, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে ইরানের নিয়ন্ত্রণ যতটা বাস্তব, ততটাই প্রতীকী। আর ইসরাইলের জন্য এটি ভবিষ্যতের এক অন্ধকার পূর্বাভাস।

ইরান-ইসরাইল সংঘাত ইসরাইল ইরানের খবর

আকাশজমিন/আরআর


এ সম্পর্কিত আরো খবর