ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরলো বঙ্গবন্ধুর একক ছবি, যুক্ত হলো জিন্নাহ ও জুলাই অভ্যুত্থান মমেকের ৩য় তলায় শিশু ওয়ার্ডে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস শিল্পে গ্যাস সরবরাহ মঙ্গলবার থেকেই স্বাভাবিক হওয়ার আশা প্রধানমন্ত্রীর ব্যাংকে কোটি টাকার হিসাব ছাড়াল ১ লাখ ৪১ হাজার কাশফুল শুধু সৌন্দর্য নয়, অনেকের জীবিকাও বটে তাড়াশে গোয়ালঘরের তালা ভেঙে ৮টি গরু চুরি, নিঃস্ব কৃষক পরিবার ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ১৭৩৩ জন ঢাকার দুই সিটিতে জামায়াতের অনানুষ্ঠানিক মেয়র প্রার্থী ঘোষণা চারবার গুলিবিদ্ধ ও তিনবার কারাবরণ: ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আলোচনায় ইশরাক অঙ্গ পাচার চক্রের হাত থেকে ফিরল লোহাগাড়ার রায়হান

করাচিতে ভবন ধসে মৃত ১৪, ধ্বংসস্তূপে আটকা অনেকে


  • আপলোড সময় : শনিবার ০৫ জুলাই, ২০২৫ সময় : ৫:২৮ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

পাকিস্তানের সিন্ধ প্রদেশের রাজধানী প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত করাচিতে একটি তলা আবাসিক ভবন ধসে ১৪ জন নিহত হয়েছেন এবং এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। কারণ ভবনটির ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও অন্তত ২৫ থেকে ৩০ জন আটকা পড়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। শুক্রবার বিকেলের দিকে করাচির লায়ারি এলাকায় ঘটেছে ঘটনা। এই এলাকাটি করাচির পুরোনো শহর এলাকার (ওল্ড সিটি এরিয়া) অন্তর্ভুক্ত। ধসে পড়া ভবনটি লায়ারি শাইখা রোডে অবস্থিত।

পাকিস্তানের দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তরের কর্মীরা জানিয়েছেন, শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেছেন তারা এবং পর্যন্ত ভবনটির ধ্বংসস্তূপ থেকে জন নারী, জন পুরুষ এবং বছর বয়সী একটি ছেলেশিশুর মরদেহ তারা উদ্ধার করতে পেরেছেন। ধ্বংসস্তূপের তলায় এখনও কমপক্ষে ২৫ থেকে ৩০ জন চাপা পড়ে থাকায় সামনে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেও জানিয়েছেন তারা।

শুক্রবার সন্ধ্যার পর ঘটনাস্থল এবং উদ্ধার তৎপরতা পরিদর্শন করতে গিয়েছিলেন করাচি মেয়র মুর্তাজা ওয়াহাব। সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ধসে পড়া ভবনটি ১৯৭৪ সালে নির্মাণ করা হয়েছিল এবং কয়েক বছর আগে ভবনটিকেবিপজ্জনকবলে ঘোষণা করেছিল নগর প্রশাসন কর্তৃপক্ষ।

 

করাচির পুরোনো শহর এলাকায় শতাধিক ভবনকেবিপজ্জনকহিসেবে ঘোষণা করেছে নগর প্রশাসন কর্তৃপক্ষ। এসব ভবনের বাসিন্দাদের একাধিকবার নিরাপদ স্থানে চলে যেতে বলা হয়েছে। কিন্তু তাদের অনেকেই প্রশাসনের সতর্কবার্তা আমলে নিচ্ছেন না।”“আমরা চাইলে বল প্রয়োগ করে ঝুঁকিপূর্ণ এসব ভবন থেকে বাসিন্দাদের বের করে দিতে পারি, কিন্তু পৃথিবীর কোনো নগর প্রশাসন যেহেতু এমন করে নাআমরাও করব না। যারা নগর প্রশাসনের সতর্কবার্তা, অনুরোধকে পাত্তা দেন নাতাদের জন্য আজকের ঘটনা একটি বড় শিক্ষা।

করাচির পুরোনা শহর এলাকার আবাসিক ভবনগুলো মধ্যে দূরত্ব এত কম, যে হঠাৎ দেখলে মনে হয় একটি ভবনের সঙ্গে আরেকটি লাগোয়া। লায়ারি এলাকায় যে ভবনটি ধসে পড়েছে, সেটির দুপাশেও প্রায় লাগোয়া দুটি আবাসিক ভবন আছে। সে দুটি ভবন থেকে বাসিন্দাদের ইতমধ্যে সরানো হয়েছে।

দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তরের কর্মীরা তাদের ক্লান্তি নিয়েই ঘণ্টার পর ঘণ্ট ধরে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। দক্ষিণ করাচির উপ পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন, ভবনটি ধসে পড়ার সময় সেখানে ৬টি পরিবার ছিল।

লায়ারিতে ভবন ধসের ঘটনায় ইতোমধ্যে শোক জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি, প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, পাকিস্তানের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির স্পিকার আয়াজ সাদিক। প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সিন্ধ প্রাদেশিক সরকারকে উদ্ধার ত্রাণ তৎপরতায় সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন। ভবন ধসের ঘটনা তদন্তে ইতোমধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন সিন্ধ প্রাদেশিক সরকারের স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সাঈদ গনি। আগামী কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূত্র : জিও নিউজ

আকাশজমিন/আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর