ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬,  ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাঙ্গুনিয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকোয় পারাপার


  • আপলোড সময় : রবিবার ১৭ আগস্ট, ২০২৫ সময় : ৪:২৫ পিএম

রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চট্টগ্রামস্থ রাঙ্গুনিয়া থানার  মজুমদারখীল গ্রাম জনবহুল একটি অবহেলিত গ্রাম। এই গ্রামের পূর্ব পাড়ার সাথে পশ্চিম পাড়ার যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম বাঁশের তৈরি একটি ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো। বর্ষা মৌসুমে  ঝুঁকিপূর্ণ এই বাঁশের তৈরি সাঁকোর উপর দিয়ে নদী পারাপার খুবই বিপজ্জনক। কারণ এই সাঁকো দিয়ে নদী পারাপারে খুবই সতর্ক থাকতে হয়। সামান্য অসাবধানতায় যেকেউ মারাত্মক দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে। এমনকি হতে পারে নিশ্চিত মৃত্যু। সাধারণত বর্ষাকালে এই ঝুঁকি আরো বেড়ে যায়। তাই বাঁশের সাঁকোটি মৃত্যু ফাঁদ হিসেবে পরিচিত।

প্রতিদিন এই বাঁশের তৈরি সাঁকোর উপর দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার করে কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রী, গর্ভবতী মহিলা, অসুস্থ রোগী, ভারবাহী কৃষক সহ সর্বস্তরের গ্রামবাসী।  এছাড়াও পাশ্ববর্তী গ্রামের মানুষও কম সময়ে এবং সহজে ডিসি সড়কে উঠতে মজুমদারখীল গ্রামের মধ্যকার এই সাঁকোটি  ব্যবহার করে থাকে। বর্ষাকালে অনেক সময় অতিবর্ষণে বাঁশের সাঁকোটি নদীতে ভেসে যায় অথবা ডুবে যায়। তখন গ্রামবাসীকে পাঁচ মিনিটের পথ ত্রিশ থেকে পঁয়ত্রিশ মিনিট পায়ে হেঁটে বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করে এক পাড়ার সাথে অন্য পাড়ার যোগাযোগ রক্ষা করতে হয়। কোন আপদ বিপদেও একে অপরের সাহায্যে এগিয়ে যেতে পাড়েনা শুধুমাত্র গণদুর্ভোগ সাঁকোটির কারণে।

স্বাধীনতা পরবর্তীবিশেষকরে বিগত সরকারের আমলে অনেক চেষ্টা তদবির করেও আমাদের এই সমস্যা তথা গণদুর্ভোগের কোন সুরাহা হয়নি। অর্থাৎ, বাঁশের তৈরি সাঁকোটির স্থলে পাকা সেতু নির্মাণের কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। মজুমদারখীল গ্রামবাসীর প্রাণের দাবি বাঁশের তৈরি সাঁকোটির স্থলে একটি পাকা সেতু নির্মাণের ব্যবস্থা করা হোক। এই ব্যাপারে যথাযথ কতৃপক্ষের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। বাঁশের তৈরি সাঁকোটির স্থলে একটি পাকা সেতু নির্মাণ হলে গ্রামবাসীর যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ নিরাপদ হবে এবং  জীবন যাত্রার মান উন্নয়ন হবে।

আকাশজমিন/আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর