ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জুলাই গণহত্যায় ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড ইউপি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার বিষয়ে সরকার কিছুই জানে না: মীর শাহে আলম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ওবায়দুল কাদের ও আরাফাতসহ ৭ জনের রায় আজ কেন ভারত থেকে টনে টনে ইলিশ আসছে বাংলাদেশে? যুদ্ধ শেষে ইরানের তেলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ইঙ্গিত ট্রাম্পের ৫০ পেরিয়ে পুনরায় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন জেমিমা গোল্ডস্মিথ গ্রিসে নৌকা ডুবে ১ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু, নিখোঁজ ২৫ আজ মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ সৌদির তায়েফসহ ৩ শহরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা, আহত ১৩ আট বিভাগেই বৃষ্টির শঙ্কা, অপরিবর্তিত থাকবে দিন-রাতের তাপমাত্রা

ডাকসু ভোটে কারচুপির অভিযোগ

ঢাবি প্রশাসনের ব্যর্থতা তুলে ধরলেন ভিপি প্রার্থী আবিদ


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ সময় : ৭:৩৭ পিএম

স্টাফ রিপোর্টার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের সহ-সভাপতি (ভিপি) পদপ্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান। মঙ্গলবার ( সেপ্টেম্বর) মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে একের পর এক অনিয়মের অভিযোগ তোলেন এবং প্রশাসনের চরম ব্যর্থতা দায়ী করেন।

ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম বলেন, “অমর একুশে হলে গিয়েছিলাম। সেখানে নিজের চোখে ভোট কারচুপির প্রমাণ পেয়েছি। রোকেয়া হলে গিয়ে ছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারাও একই অভিযোগ করেছেনতাদের ব্যালট পেপারে আগে থেকেই নির্দিষ্ট প্রতিদ্বন্দ্বীদের পক্ষেক্রসচিহ্ন দেওয়া ছিল।

 

তিনি আরও বলেন, “রোকেয়া হলের এক ছাত্রী আমাদের জানান, ব্যালট দেওয়ার সময় দেখা গেছেতাতে সাদিক কায়েম এস এম ফরহাদের নামে আগেই ক্রস দেওয়া। শুধু রোকেয়া নয়, অমর একুশে হলেও একই রকম ঘটনা ঘটেছে। পরে আমি চিফ রিটার্নিং অফিসারের অনুমতি নিয়ে অনুসন্ধানে গেলে তারা নিজেরাই বলেনকীভাবে এমনটা ঘটেছে, তা তারা জানেন না।

 

আবিদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, ভোট কেন্দ্রগুলোতে তাদের পোলিং এজেন্টদের ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা যেন এতিমের মতো কেন্দ্রে দাঁড়িয়ে ছিলাম। আমাদের সময় নষ্ট করা হয়েছে, বারবার বাধা দেওয়া হয়েছে। প্যানেলের নম্বর শিট দিতে গেলেও নানা রকম প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়তে হয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, “সকালে আমার বিরুদ্ধে বড় ধরনের প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হয়, যাতে মূলধারার কিছু গণমাধ্যমও বিভ্রান্ত হয়। পরে অবশ্য তারা সংশোধনী দিয়েছে। রোকেয়া হলের এক নির্বাচন কর্মকর্তা আমাদের এক প্রার্থীকে ব্যালট নম্বর বিতরণের কারণে ছাত্রত্ব বাতিলের হুমকি দেন, অথচ শিবিরপন্থীদের ক্ষেত্রে এমনটা হয়নি।

 

সবশেষে তিনি বলেন, “দুটি কেন্দ্রে কারচুপির প্রমাণ হাতে এসেছে। আমরা জানি না, কত ব্যালটে এমন জালিয়াতি হয়েছে। পুরো নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ এবং এর সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া উচিত।”  বিষয়ে তিনি লিখিত অভিযোগও জমা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

 


 আকাশজমিন/আরআর 



এ সম্পর্কিত আরো খবর