সেলিনা রহমান বলেন, “দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে আপনাদের কণ্ঠস্বর দমন করা হয়েছে। ভোটকেন্দ্র দখল, জালভোট, ভয়ভীতি ও দমন-পীড়নের কারণে জনগণের মতামত প্রকাশের অধিকার হারিয়ে গিয়েছিল। আজ আবার আপনাদের সেই মর্যাদা ও অধিকার ফিরে এসেছে। আপনাদের প্রতিটি ভোট আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলবে।”
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–বিএনপি আগামী জাতীয় নির্বাচনে নারী ও শিশুর অধিকারকে অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার হিসেবে ঘোষণা করেছে। সেই অঙ্গীকার ভোটারদের সামনে তুলে ধরতেই এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়। নির্বাচনে নড়াইল-১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলমের পক্ষে প্রচারণার অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মী, নারী ভোটার এবং স্থানীয় জনগণ অংশ নেন।
সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন বেগম সেলিনা রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নড়াইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: মনিরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট নিপুন রায় চৌধুরী।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারীকে যদি সমান অধিকার, নিরাপত্তা ও সুযোগ না দেওয়া হয় তবে রাষ্ট্র কখনোই সঠিক পথে এগোতে পারবে না। শিশুদের সঠিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও বিএনপির ঘোষিত এজেন্ডার অন্যতম অংশ বলে উল্লেখ করেন তারা।
বক্তারা আরও বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চায় বিএনপি। সেই লক্ষ্য পূরণে নড়াইল-১ আসনে আলহাজ্ব বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম বিজয়ী হলে নারী ও শিশু অধিকার নিশ্চিতে তিনি প্রধান ভূমিকা পালন করবেন। এলাকায় নারী ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সমাবেশটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
সমাবেশ শেষে প্রার্থী আলহাজ্ব বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, “আপনারা শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দেবেন। আমরা আপনাদের পাশে আছি এবং থাকব। আপনাদের ভোটের মাধ্যমে এই দেশ গণতন্ত্র ফিরে পাবে।”
আকাশজমিন / আরআর