বরগুনার আমতলীতে থানায় অভিযোগ করায় নাসিমা বেগম নামের এক নারী এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা মহিলা দলের স্বঘোষিত সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা আক্তার হেপি তাকে অভিযোগ তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছেন। এমনকি আহত নাসিমাকে চিকিৎসা গ্রহণেও নাকি বাধা দেওয়া হয়েছে। বুধবার বিকেলে আমতলী সাংবাদিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।
জানা যায়, আমতলী উপজেলার তালুকদার বাজার এলাকায় নাসিমা বেগমের বোনের ছেলে মহসিন তার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা এবং বোনের মেয়ে শান্তা আক্তার পৌনে এক ভরি স্বর্ণ ধার নেন। তিন মাস পার হয়ে গেলেও তারা টাকা বা গহনা কিছুই ফেরত দেননি। গত সোমবার নাসিমা টাকা ও গহনা চাইতে গেলে মহসিন ও শান্তা ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে মারধর করেন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলেও—নাসিমার অভিযোগ, মহিলা নেত্রী হেপি ও বিএনপি নেতা মোঃ জুয়েল আজাদ তাকে চিকিৎসা নিতে বাধা দেন।
নাসিমা জানান, “হাসপাতালে ভর্তি হতে গেলে তারা বারবার বাধা দেয়। পরে আমি থানায় অভিযোগ করি। কিন্তু এখন আমাকে অভিযোগ তুলে নিতে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।” নারী নেত্রী মাহমুদা আক্তার হেপি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “নাসিমা ও মহসিন দু’জনেই আমার এলাকার মানুষ। সমঝোতা করার জন্যই কথা বলেছি।”
আমতলী উপজেলা মহিলা দলের আহ্বায়ক মীরা খান বলেন, “মাহমুদা আক্তার হেপি মহিলা দলের কর্মী হলেও তিনি কোনো পদে নেই। অনেকেই স্বেচ্ছায় নিজেদের পদবী দাবি করেন।”
আমতলী থানার ওসি দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন, “অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রাণনাশের হুমকির বিষয়টি জানা নেই। তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
আকাশজমিন / আরআর