নড়াইল প্রতিনিধি
নড়াইলের কালিয়া উপজেলার পুরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৬নং ওয়ার্ডের সদস্য ও পুরুলিয়া বাজার বণিক সমিতির সভাপতি আনিচুর রহমান এবং পুরুলিয়া ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক ও চাঁচুড়ী-পুরুলিয়া বাজার বণিক সমিতির কোষাধ্যক্ষ খুরশিদ আলমকে অস্ত্র ও ককটেল দিয়ে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ফাঁসানোর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন এবং মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে পুরুলিয়া বাসস্ট্যান্ড মোড়ে এলাকাবাসীর উদ্যোগে এই মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন হয়। এতে বক্তব্য দেন ইউপি সদস্য মোঃ আনিচুর রহমান, ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং কালিয়া উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদক ও পুরুলিয়া নন্দনকানন ক্লাবের সভাপতি মোঃ খুরশিদ আলম, মোঃ ফিরোজ সরদার, মোঃ মিজুন সরকার, মোঃ বখতিয়ার সরদার, মোঃ ওমর শেখ, মোঃ শওকাত মিনা, মোঃ ইমরান মিনা ও মোঃ মজিবর মোল্লা প্রমুখ। কার্যক্রমে চাঁচুড়ী-পুরুলিয়া বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবিদ হাসান সবুজ, ব্যবসায়ী গোলাম মোস্তফা নিপুসহ শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
ইউপি সদস্য আনিচুর রহমান বলেন, হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি কোবাদ হোসেন, কামরুল ইসলামসহ তাদের লোকজন তাকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে বাড়ির পশ্চিম পাশে শুকনো পাতার মধ্যে একটি পিস্তল ও আটটি ককটেল রেখে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে খবর দেয়। পুলিশ এসে সেগুলো উদ্ধার করে। তিনি অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষ তাকে বারবার হয়রানির চেষ্টা করছে। ছয় মাস আগে একই স্থানে অস্ত্র রাখার ঘটনায় তিনি চার মাস ১১ দিন কারাগারে থাকতে বাধ্য হন।
অন্যদিকে, একই রাতে খুরশিদ আলমের বাড়ির দক্ষিণ পাশে একটি পতিত গোয়ালঘরে বালতির মধ্যে চারটি ককটেল রেখে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করে প্রতিপক্ষরা। খুরশিদ আলম অভিযোগ করেন, কোবাদ মোল্যা, কামরুল সরদার, কালু গাজী ও ইমরান সরদারের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় তাকে টার্গেট করা হচ্ছে।
স্থানীয় মোঃ সামিউল্লাহ অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষ তার জমি দখল করে ঘর নির্মাণ করে খাচ্ছে; তারা রাজনৈতিক সুবিধাবাদী। তিনি আইনি ব্যবস্থার দাবি জানান।
তবে কোবাদ হোসেন, কামরুল ইসলামসহ অভিযুক্তরা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। কালিয়া থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ওই রাতে দুই স্থান থেকে দেশি তৈরি একটি পিস্তল এবং ১১টি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন।