ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬,  ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাবনা-৪ আসনে সিরাজুল ইসলাম সরদারকে চূড়ান্ত প্রার্থী চায় তৃণমূল


  • আপলোড সময় : বুধবার ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ সময় : ৫:৩১ পিএম

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি ॥

পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী–আটঘরিয়া) আসনের বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় নেতা সিরাজুল ইসলাম সরদারকে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী করার দাবিতে নির্বাচনী এলাকায় নতুন করে স্বস্তি ও শান্তির আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

বিএনপির প্রবীণ নেতাদের মাধ্যমে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের পর থেকে নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফিরে এসেছে। অনেকেই জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা জানমাল ও সম্পদের নিরাপত্তাহীনতার মধ্য দিয়ে সময় পার করছিলেন। কিন্তু সিরাজুল ইসলাম সরদারের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের খবর জানার পর এলাকায় এক ধরনের আস্থার পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, বিএনপির হাইকমান্ড ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নানা প্রতিকূলতা ও ষড়যন্ত্রের মধ্যেও এই আসনে বিজয় নিশ্চিত করতে বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম সরদারকে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেবেন—এ বিষয়ে তারা আশাবাদী।

মুলাডুলি ইউনিয়নের বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব শফি উদ্দিন মন্ডল, দুইজন শিক্ষক ও একজন চিকিৎসক; লক্ষীকুণ্ডা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নানসহ পাঁচজন ব্যবসায়ী ও শিক্ষক; সাহাপুর ইউনিয়নের বিশিষ্ট রাজনীতিক আব্দুর রশিদ সরদার, শিল্পপতি হুমায়ুন কবীর; সলিমপুর ইউনিয়নের শিক্ষক ফজলুর রহমান; দাশুড়িয়া ইউনিয়নের হিন্দু সম্প্রদায়ের একাধিক ব্যবসায়ী, শিক্ষক, চিকিৎসক ও ভ্যানচালক; সাঁড়া ইউনিয়নের চাকরিজীবী, অধ্যক্ষ, শিক্ষক, ব্যবসায়ী ও অটোরিকশা চালক এবং পাকশী ইউনিয়নের আলহাজ্ব আজিজুল হক, আলহাজ্ব আকমল হোসেনসহ অসংখ্য পেশাজীবী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএনপির হাইকমান্ড ও তারেক রহমানের কাছে সিরাজুল ইসলাম সরদারকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাদের দাবি, এই আসনে সিরাজুল ইসলাম সরদারকে মনোনয়ন না দিলে আসনটি অন্যের হাতে চলে যাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে।

স্থানীয়রা আরও জানান, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হওয়ার পরও সিরাজুল ইসলাম সরদার মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন। কনকনে শীত উপেক্ষা করে মঙ্গলবার রাতে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ঢাকার একটি হাসপাতালে অসুস্থ বিএনপি নেতা ও বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিবকে দেখতে যান। সেখানে তিনি তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং সুস্থতা কামনা করেন।

এছাড়াও তিনি ঢাকার তিনশ ফিট এলাকায় তারেক রহমানের সংবর্ধনাস্থল পরিদর্শন করেন। শুধু তাই নয়, সম্প্রতি শেখ হাসিনার ট্রেন বহরে গুলিবর্ষণ সংক্রান্ত মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত অসুস্থ বিএনপি নেতা আলাউদ্দিন বিশ্বাস, ইঞ্জিনিয়ার মুক্তার হোসেনসহ বহু নেতাকর্মীর খোঁজখবর নিতেও তিনি হাসপাতালে যান।

সদা হাস্যোজ্জ্বল, মৃদুভাষী ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির অধিকারী পাবনা জেলার এই বরেণ্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে ব্যক্তিত্বহীন বা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কোনো নজির নেই—যা প্রশাসনের বিভিন্ন মহলেও সুপরিচিত বলে স্থানীয়রা জানান।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর