ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনী জনসভায় যোগ দিতে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান নওগাঁর সমাবেশস্থলে পৌঁছেছেন। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে বহনকারী হেলিকপ্টার নওগাঁ স্টেডিয়াম মাঠে এসে অবতরণ করে। এরপর গাড়িতে চড়ে শহরের এটিএম মাঠে সমাবেশস্থলে পৌঁছান।
মাঠজুড়ে উপস্থিত হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থক স্লোগান ও করতালির মাধ্যমে তার স্বাগত জানান। সমাবেশস্থলের চারপাশ ‘নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবার’, ‘বাংলাদেশ জামায়েতে ইসলামী জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ’, ‘জামায়াত আমিরের আগমন, শুভোচ্ছা স্বাগতম’—এর মতো নানা স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে।
জনসভা শুরু হওয়ার আগে নির্ধারিত সময়ের কয়েক ঘণ্টা আগেই নওগাঁ, জয়পুরহাট ও বগুড়া জেলার হাজারো নেতাকর্মী মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে জড়ো হন। মঞ্চে বক্তব্য রাখেন জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের অঙ্গ সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা।
জনসভা ঘিরে সব ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে থাকে। মঞ্চসহ পুরো এলাকা তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ভাগ করা হয়েছে—রেড জোন, ইয়েলো জোন ও গ্রিন জোন।
উল্লেখ্য, সকালেই ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারযোগে শফিকুর রহমান সমাবেশস্থলে পৌঁছান। নওগাঁর সমাবেশ শেষ হলে তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। এরপর রাজশাহী ও নাটোরের জনসভায় বক্তব্য রাখার কথা রয়েছে।
নির্বাচনী এই জনসভা স্থানীয় জনমত গঠন এবং দলের সমর্থন জোরদারের লক্ষ্য নিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সমাবেশে উপস্থিত নেতাকর্মীরা দলীয় নীতি, জাতীয় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং নির্বাচনী গুরুত্ব নিয়ে বক্তব্য রাখেন।
শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে নওগাঁর সমাবেশস্থলে উচ্ছ্বাস এবং উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে। সমাবেশস্থলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী রাখার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সম্ভাব্য গোলযোগ রোধে সব প্রস্তুতি নেয়।
নওগাঁ, জয়পুরহাট ও বগুড়া জেলার নেতারা জনসভায় ব্যাপক উপস্থিতি নিশ্চিত করেন। স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ সমাবেশকে শান্তিপূর্ণভাবে পরিচালনার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়।
শফিকুর রহমানের বক্তব্য এবং দলের পরিকল্পনা নির্বাচনী প্রচার ও সমর্থক আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং নেতাকর্মীদের উৎসাহজনক উপস্থিতি নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে।