ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬,  ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঢাকা-১৮ আসনে এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের বিশাল জয়


  • আপলোড সময় : শুক্রবার ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ সময় : ১:১৮ পিএম

ঢাকা-১৮ আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং একইসাথে আয়োজিত গণভোটে দর্শকের প্রত্যাশা অনুযায়ী নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করে বিজয়ী হয়েছেন এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। টানটান উত্তেজনা ও তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে তিনি বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, ঢাকা-১৮ আসনের মোট ভোটার সংখ্যা ৬ লাখ ৫০ হাজার ৩৯৮ জন। প্রাপ্ত ভোটের ফলাফলে দেখা যায়, এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন ধানের শীষ প্রতীকে ১,৪২,৯৫৭ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শাপলা কলির প্রার্থী আরিফুল ইসলাম পেয়েছেন ১,০৮,৫০৭ ভোট। এই ব্যবধান ৩৪,৪৫০ ভোট, যা বিশাল এবং কার্যত প্রমাণ করে নির্বাচনী প্রার্থীর ব্যাপক জনপ্রিয়তা।

বিজয়ী প্রার্থী নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন রাজধানীর মালেকাবানু আদর্শ বিদ্যানিকেতন কেন্দ্রে। ভোটগ্রহণের পুরো সময়জুড়ে শান্তি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্রিয় ভূমিকা ছিল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। নির্বাচনী এলাকা নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে রাখা হয়েছিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, র‌্যাব (RAB), বিজিবি (BGB), পুলিশ বাহিনী এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারির কারণে ভোট গ্রহণ অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সাধারণ ভোটাররা কোনো ধরনের বাধা ছাড়াই কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে তাদের মত প্রকাশ করেছেন। নির্বাচন ও গণভোট উভয়কেই উৎসবমুখরভাবে পালন করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোটার ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, প্রশাসনের কঠোর অবস্থান এবং প্রার্থীদের সহনশীল আচরণের কারণে এই শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত হয়েছে। ভোটের দিন নির্বাচনী এলাকায় কোন ধরনের হাঙ্গামা বা বিশৃঙ্খলা ঘটেনি। জনগণ স্বচ্ছ, নিরাপদ ও সুষ্ঠু ভোটে অংশ নিয়ে তাদের স্বাধীন মত প্রকাশ করেছেন।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ঢাকা-১৮ আসনে এ ধরনের বিশাল ব্যবধানের বিজয় স্থানীয় রাজনৈতিক সমীকরণকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করেছে। এই জয়ের মাধ্যমে এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন নির্বাচনী এলাকায় শক্তিশালী অবস্থান নিশ্চিত করেছেন। নির্বাচনের ফলাফল প্রমাণ করে যে জনগণ শান্তি, স্বচ্ছতা এবং দক্ষ নেতৃত্বের ওপর আস্থা রাখে।

নির্বাচন শেষে বিজয়ী প্রার্থী জনগণকে ধন্যবাদ জানিয়ে ভবিষ্যতে আরও উন্নয়নমূলক কাজের অঙ্গীকার করেছেন। এলাকার ভোটাররা আশা করছেন, এই নির্বাচিত প্রতিনিধি জনগণের কল্যাণ এবং উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর