ট্রাম্প এই শুল্ক আরোপ করেছেন ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের ধারা-১২২ অনুযায়ী। আইন অনুসারে, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই এই সাময়িক শুল্ক সর্বোচ্চ ১৫০ দিন পর্যন্ত কার্যকর থাকতে পারে। নির্বাহী আদেশে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক পেমেন্ট ব্যবস্থার মৌলিক সমস্যা সমাধান এবং মার্কিন শ্রমিক, কৃষক ও উৎপাদকদের সুবিধা নিশ্চিত করাই এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য।
শুল্ক কার্যকরের বিষয়ে হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে বিবিসি। ফলে শুল্ক নীতির বাস্তবায়ন ও ভবিষ্যৎ প্রভাব নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
ট্রাম্পের যুক্তি, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে এবং আমদানির তুলনায় রপ্তানির ভারসাম্য আনতে শুল্ক প্রয়োজন। তবে পরিসংখ্যান বলছে, পাল্টা শুল্ক আরোপের প্রায় এক বছরেও বাণিজ্য ঘাটতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেনি। বরং ২০২৪ সালের তুলনায় গত সপ্তাহে ঘাটতি ২ দশমিক ১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
এদিকে পাল্টা শুল্ক ব্যবস্থার আওতায় যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে প্রায় ১৩০ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করেছে। এই অর্থ কোম্পানিগুলোর ওপর আরোপিত শুল্ক থেকে এসেছে। তবে ব্যবসায়ী মহলে এ অর্থ ফেরত দেওয়া নিয়ে চাপ বাড়ছে বলে জানা গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, নতুন শুল্ক নীতি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে এবং বৈশ্বিক বাজারে প্রভাব ফেলতে পারে। আগামী দিনে এ নীতি কতটা স্থায়ী হয় এবং এর অর্থনৈতিক প্রভাব কী দাঁড়ায়, তা নিয়ে নজর রাখছে আন্তর্জাতিক মহল।
আকাশজমিন / আরআর